মায়োসিটিস বেশ ভুগিয়েছে সামান্থা রুথ প্রভুকে। এজন্য বেশ কিছুদিন ক্যামেরার সামনে দাঁড়াননি তিনি। কিন্তু কিছু কাজ চাইলেও ফেলে রাখা যায় না। সে রকমই একটা কাজ ছিল সিটাডেল: হানি বানি। সিরিজটির শুটিং তাকে করতে হয়েছে। এছাড়া অভিনয় করেছিলেন খুশি সিনেমায়। সম্প্রতি এসেছে সিটাডেল: হানি বানির ট্রেলার। সামান্থা এক সাক্ষাৎকারে জানালেন সিরিজের শুটিংয়ের সময় অসুস্থ ছিলেন তিনি।
সিটাডেল: হানি বানি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। এর প্রচারণার অংশ হিসেবেই গ্যালাটার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বসেছিলেন সামান্থা। তিনি সেখানে মজা করেই বলেন, ‘আমার একটা কনকাশন হয়েছিল শুটিং সেটে। এরপর সবার নাম ভুলে গিয়েছিলাম। পুরোপুরি শূন্য হয়ে গিয়েছিল মাথার ভেতরটা। কেমন ছিল বিষয়টা বোঝাতে পারব না। কিন্তু আমাকে কেউ হাসপাতালে নিয়ে যায়নি। এমনকি জিজ্ঞেসও করেনি।’
এ সাক্ষাৎকারে উপস্থিত ছিলেন সিরিজের লেখক সীতা মেননও। তিনি বলেন, ‘আমরা একজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলছিলাম ফোনে।’ সামান্থা সঙ্গে সঙ্গে জিজ্ঞেস করেন, ‘কোন ডাক্তার?’ সীতাও সঙ্গে সঙ্গেই বলেন, ‘তোমার মনে নেই, কেননা তোমার কনকাশন হয়েছিল।’
কিন্তু সামান্থা তা মানতে রাজি না। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু শুনছিলাম সবাই বলছে যে আর একদিনের শুট বাকি আছে। এর মধ্যেই আমাদের সব শেষ করতে হবে। এটা মনে করতে পারছি যে কনকাশনের মধ্যেও মনে মনে বলছিলাম যে আমি আসছি।’
পুরো বিষয়টা তিনি মজা করেই বলেছিলেন। সবাই তা মজা করেই শুনছিল বা বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছিল। তবে সামান্থা জানান, অসুস্থতার কারণে তিনি একবার ভেবেছিলেন প্রজেক্টটা টেনে নেয়া যাবে না। তিনি বলেন, ‘আমি ওদের অনুরোধ করেছিলাম আমাকে ছাড়াই যেন এগিয়ে যায়। কারণ আমার মনে হচ্ছিল না অসুস্থতা নিয়ে কাজটা শেষ করতে পারব। বারবার বলেছিলাম চিত্রনাট্যের নায়িকার মতো কাজ আমি করতে পারব না।’
কিন্তু রাজ অ্যান্ড ডিকের টিম তাকে বাদ দিয়ে কাজ করেনি। এজন্য সামান্থা তাদের ধন্যবাদ জানাতেও ভোলেননি। সামান্থা বলেন, ‘এখন আমার ট্রেলার দেখে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ইচ্ছা করছে, কেননা বাজে পরিস্থিতিতেও আমার সঙ্গে ছিলেন সবাই।’
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










