সম্প্রতি ভারতীয় বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে অনিল শর্মা পরিচালিত ‘গাদার টু’। এ উপলক্ষে তিনি আছেন প্রচারের আলোয়। একাধিক সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ারের নানান দিকে আলো ফেলেছেন। তেমন একটি ঘটনা উঠে এসেছে ‘হিরো: লাভ স্টোরি অব এ স্পাই’ ছবির সেট থেকে। এতে সানি দেওলের বিপরীতে ছিলেন প্রিয়াংকা চোপড়া।

এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াংকার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন অনিল। তখন জানান, নাকের সার্জারির জন্য সমস্যায় পড়তে হয়েছিল অভিনেত্রীকে।

অনিল জানান, প্রিয়াংকাকে চুক্তিবদ্ধ করানোর পর তিনি দেশের বাইরে যান। আসার পর জানতে পারেন অভিনেত্রী নাকের সার্জারি করিয়েছেন। এতে প্রিয়াংকার জন্য হিতে বিপরীত হয়।

চালু একটি ট্যাবলয়েড থেকে অনিল সার্জারির খবর পেয়েছিলেন। যেখানে বলা হয়, এক হলিউড সুপারস্টারের মতো নাকের গড়ন বদলাতে চেয়েছিলেন প্রিয়াংকা।

পরিচালক বলেন, “তার সঙ্গে একটি বড় ট্র্যাজেডি ঘটেছে। তিনি দুর্দান্ত ছিলেন, আমি এরই মধ্যে আমার সিনেমায় তাকে চুক্তিবদ্ধ করেছি। আমার স্ত্রী নিজেই তাকে মন্দিরের বাইরে একটি চেক দিয়েছিলেন। ‘গাদার’ মুক্তির পর আমি আমেরিকা ও ইউরোপ ভ্রমণের জন্য রওনা হলাম এবং দুই মাস পর ফিরে এসে জানতে পারলাম যে প্রিয়াংকার নাকের অপারেশন হয়েছে। কারণ সে দেখতে জুলিয়া রবার্টসের মতো হতে চায়। এটা আমি পত্রিকায় পড়ে জানতে পারি এবং ভাবছিলাম কেন সে এমন কিছু করবে; সে এমনিতেই সুন্দর ছিল।”

পরিচালক জানান, প্রিয়াংকা চোপড়া এই সিদ্ধান্তের কারণে ক্যারিয়ারে একটি বিশাল ধাক্কার মুখোমুখি হন।

তিনি বলেন, ‘ওকে ভয়ংকর দেখাচ্ছিল। আমি তৎক্ষণাৎ তাকে ডেকে পাঠালাম এবং পরের দিন মাকে সঙ্গে নিয়ে চলে এল। তারা কাঁদছিল, আমাকে অপারেশন সম্পর্কে বলেছিল, যার কারণে তার নাকের নিচে একটি দাগও ছিল। এটা এখনো পর্যন্ত আছে। তারা বলেছিল যে এটি ঠিক হতে কয়েক মাস সময় লাগবে এবং প্রিয়াংকা তখন স্বাক্ষর করেছেন এমন বেশ কয়েকটি সিনেমা থেকে বাদ পড়েছেন।’

‘হিরো’ ছিল বিশ্ব সুন্দরীর মঞ্চ থেকে খেতাব জয় করে আসা প্রিয়াংকার দ্বিতীয় সিনেমা। এটি ২০০৩ সালে মুক্তি পায়। আরো অভিনয় করেছেন প্রীতি জিনতা ও অমরেশ পুরী। তবে ছবিটি বক্স অফিসে সুবিধা করতে পারেনি।