এক্স-ম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমাগুলোর দর্শকপ্রিয় একটি চরিত্র উলভারিন। এ চরিত্রের সমার্থক নাম অস্ট্রেলীয় অভিনেতা হিউ জ্যাকম্যান। তবে এর জন্য চড়া দাম দিতে হচ্ছে তাকে। উলভারিনের ভূমিকায় তাকে গর্জন ও চিৎকার করতে হতো। বহুদিন ধরে শুটিংয়ে এটা করায় তার কণ্ঠস্বর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিবিসির ‘ফ্রন্ট রো’ শোতে এক আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, উলভারিন তার স্বরতন্ত্রীকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
হিউ জ্যাকম্যান বলেন, ‘উলভারিনের কারণে আমার কণ্ঠস্বরের ক্ষতি হয়েছে। আমি সরাসরি নিজের গলায় গর্জন ও চিৎকার করেছি। উলভারিন হিসেবে আমি এমন অনেক কিছু করেছি, যা দেখলে আমার নাটকের স্কুলের ভোকাল টিচার ভয় পেয়ে যেতেন। কণ্ঠস্বরকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে গর্জন ও চিৎকার করার কৌশল আমরা স্কুলে শিখেছিলাম। যাই হোক, আমি মনে করি চিৎকার আমার কণ্ঠস্বরের ক্ষতি করেছে। ক্ষতি কাটাতে আমি একজন গানের শিক্ষকের সঙ্গে কাজ করছি। নিজেকে সারিয়ে তোলার চেষ্টা করছি। প্রতিটি চরিত্রের উপযোগী করে শরীর ও কণ্ঠস্বর প্রস্তুত করার জন্য আমি অনেক বেশি পরিশ্রম করি।’
এ বছরের শেষদিকে মুক্তি পাবে ‘ডেডপুল থ্রি’। এ সিনেমায় আরো একবার শোনা যাবে উলভারিনের গর্জন ও চিৎকার। ডেডপুল থ্রি সিনেমায় জ্যাকম্যানের উলভারিন ও রায়ান রেনল্ডসের ডেডপুলকে একসঙ্গে দেখা যাবে। এটি হবে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের প্রথম আর-রেটেড সিনেমা। ২০১৭ সালে লোগান সিনেমায় সর্বশেষ উলভারিন চরিত্রে দেখা গিয়েছিল জ্যাকম্যানকে।
এইচবিওর ‘হু’জ টকিং টু ক্রিস ওয়ালাস’ অনুষ্ঠানে গত জানুয়ারিতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, উলভারিনকে পর্দায় যথাযথভাবে হাজির করার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার সময় তার শরীরে ব্যাপক চাপ পড়ত। কিন্তু ওজন ও পেশি বাড়াতে তিনি কখনো স্টেরয়েডের দিকে ঝোঁকেননি। তখন ক্রিস ওয়ালাস বলেন, ‘বছরের পর বছর মানুষ আশ্চর্য হয়ে ভাবত, সে কি পান করে? সে কি স্টেরয়েড নেয়?’ জ্যাকম্যান উত্তর দেন, ‘না, আমি আমার কাজকে ভালোবাসি। এবং আমি উলভারিনকে ভালোবাসি।’ জ্যাকম্যান জানান, ওজন ও পেশী বাড়াতে তিনি অতিরিক্ত খাবার খেতেন। কিন্তু কৃত্রিম কোনো হরমোনের আশ্রয় নেননি।
সূত্র: ভ্যারাইটি ডটকম










