দক্ষিণ ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা এসএস রাজামৌলি। বাহুবলী তাকে নিয়ে গিয়েছে ভারতের খ্যাতিমান পরিচালকদের কাতারে। তার সিনেমার অন্যতম বৈশিষ্ট্য পৌরাণিক কাহিনীনির্ভর গল্প। রোববার দিল্লিতে একটি সংবাদ সম্মেলনে এ নির্মাতা জানান, পৌরাণিক কাহিনীর প্রতি তার আকর্ষণ রয়েছে। এ বিষয়ে কাজ করে তিনি আনন্দ পান।
এসএস রাজামৌলি বলেন, ‘পৌরাণিক কাহিনীগুলো বেশ আলাদা ধারার। এ বিশেষ ঘরানার প্রতি আমার ভালোলাগা কাজ করে। আমি পুরাণ দ্বারা প্রভাবিত একজন ব্যক্তি। আমার দাদা-দাদির কাছে পুরাণের গল্প শুনে বড় হয়েছি। এগুলো আমি বেশ উপভোগ করতাম। সে সময় থেকে আজ পর্যন্ত পুরাণের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ অনুভব করি। পুরাণ আমার রক্তে মিশে আছে। তাই আমি যে কাজ করি, সেখানেই পৌরাণিক কাহিনী গুরুত্ব পায়। এটা নিয়ে আমি বেশ গর্বিত।’
এসএস রাজামৌলি পরিচালিত সিনেমা মানেই পৌরাণিক কাহিনী নিয়ে আলাদা চমক। ২০০৩ সালের সিমহাদ্রি হোক কিংবা ২০১৫-১৭ সালের বাহুবলী—তার সব সিনেমায়ই পৌরাণিক কাহিনীর ব্যবহার লক্ষ করা যায়। তিনি পৌরাণিক কাহিনীকে পর্দায় দর্শকের জন্য আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে পারেন আর তাই রাজামৌলির সিনেমা হলেই সেটি দর্শকের কাছে বিশেষ আবেদন তৈরি করে। রাজামৌলি আসন্ন সিনেমা আরআরআর একটি পিরিয়ড ড্রামা। এতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় দক্ষিণি তারকা রাম চরণ, জুনিয়র এনটি রামা রাও এবং গাঙ্গুবাই খ্যাত বলিউড তারকা আলিয়া ভাট।
রাজামৌলির পরিচালনায় আরআরআর সিনেমাটি তেলেগু স্বাধীনতা সংগ্রামী আলুরি সীতারাম রাজু ও কোমারাম ভীমের সাহসিকতার কাহিনী থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে তারা লড়াই করেছিলেন এবং তাদের জীবনের নানা উত্থান-পতন। যদিও তাদের সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না। আরআরআরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যামিও চরিত্রে থাকছেন বলিউডের অজয় দেবগন। ২৫ মার্চ বড় পর্দায় আসতে চলেছে সিনেমাটি।
এর আগে নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সিনেমাটির মুক্তির তারিখে পরিবর্তন আনা হয়। আরআরআর মুক্তির আগে এর প্রচারে বেশ শ্রম দিয়েছেন এর কলাকুশলী ও নির্মাতা। ভারতের বড় শহরগুলোয় সিনেমার প্রচারে এখন ব্যস্ত তারা। এরই মধ্যে হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, গুজরাট ও দিল্লিতে গিয়েছে আরআরআরের টিম।
সূত্র: ডিএনএ
হ ফিচার ডেস্ক










