গত ৩১ মে ভারতীয় সংগীতশিল্পী কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ ওরফে কেকে মৃত্যুবরণ করেন। এতে ভারতজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। কেকের অকালমৃত্যুতে সংগীতজগতের বিরাট ক্ষতি হয়ে গেল বলে মন্তব্য করেন অনেকেই।

কলকাতার নজরুল মঞ্চ সর্বশেষ সাক্ষী হয়ে ছিল কেকের গানের। অনুষ্ঠানে মোট ২০টি গান করেন ‘কেয়া মুঝে পেয়ার হ্যায়’খ্যাত গায়ক। ২০টির মধ্যে সর্বশেষ গান ছিল ‘পল’। অকালপ্রয়াত জনপ্রিয় গায়কের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে কলকাতার নন্দন চত্বরে জড়ো হন তিন শতাধিক ভক্ত। গিটার, ভায়োলিন, বাঁশির সুরে সমস্বরে ভক্তদের কণ্ঠে শোনা যায় প্রিয় শিল্পীর সর্বশেষ পারফর্ম করা গানটি।

৬ জুন অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন বি গার্ডেন বাসকারসের সদস্যরা। এ বিষয়ে বি গার্ডেন বাসকারসের এক সদস্য শান্তনু নস্কর বলেন, ‘শুধু কেকের অনবদ্য গানগুলো পারফর্ম করা এ আয়োজনের উদ্দেশ্য না। কলকাতার সঙ্গে শিল্পী মহলের সম্পর্ক পুনঃস্থাপনও আয়োজনের লক্ষ্য। কেকের মৃত্যু কলকাতার ভক্তদের জন্য লজ্জাজনক।’

এক সপ্তাহ আগে কলকাতার নজরুল মঞ্চে পারফর্ম করার পর পরই অসুস্থ হয়ে যান ‘খুদা জানে’-এর গায়ক। অনুষ্ঠান শেষে হোটেলে ফিরে নিজ কক্ষে মুখ থুবড়ে পড়ে যান তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে কেকের মৃত্যুকে ঘিরে নানা ধরনের সমালোচনা উঠে এসেছে। আয়োজকদের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। কনসার্টে ধারণ সক্ষমতার তিন গুণেরও বেশি উপচে পড়া ভিড়ের ফলে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়। এসির ব্যবস্থাও ছিল না কনসার্টে। মঞ্চে থাকা অবস্থায়ই অসুস্থ দেখা যায় শিল্পীকে।

 

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস