ব্রিটনি স্পিয়ার্সের আত্মজীবনী এখনো পাঠকের হাতে ওঠেনি। এর মধ্যেই শুরু হয়ে গেছে বিতর্ক। ‘দ্য উইম্যান ইন মি’ শিরোনামের আত্মজীবনীটি ২৪ অক্টোবর প্রকাশ হবে। এরই মধ্যে বইটির কিছু কিছু অংশ গণমাধ্যমে চলে এসেছে। যা থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। বিভিন্ন গণমাধ্যম এমনভাবে শিরোনাম করেছে, যা থেকে মনে হয় আত্মজীবনীতে ব্রিটনি অনেকের ব্যাপারে মানহানিকর তথ্য উপস্থাপন করেছেন। এদের মধ্যে আছেন আইরিশ অভিনেতা কলিন ফ্যারেল ও গায়ক জাস্টিন টিম্বারলেক। কলিন ফ্যারেলের সঙ্গে তার ঝগড়া, জাস্টিন টিম্বারলেকের সঙ্গে বিচ্ছেদ, গর্ভপাত ইত্যাদি বিষয়ে স্পর্শকাতর তথ্য বইটিতে আছে বলে শিরোনাম করছে গণমাধ্যম। জাস্টিন টিম্বারলেক তাকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেছেন বলে আত্মজীবনীতে দাবি করেছেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। তিনি বলেন, ‘যদি আমার একার সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ থাকত, তাহলে আমি কখনই গর্ভপাত করতাম না।’ এসব বিষয় নিয়েই জমে উঠেছে বিতর্ক। গণমাধ্যমের এমন ভূমিকায় স্পষ্টই বিরক্ত ব্রিটনি স্পিয়ার্স। এসব শিরোনাম একদমই পছন্দ করছেন না বলে জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে ব্রিটনি বলেন, ‘কাউকে কোনোভাবে অপমান করা আমার বইয়ের উদ্দেশ্য নয়। এগুলো সবই আমার অতীত। যেসব শিরোনাম আমি পড়ছি, সেগুলো আমি পছন্দ করছি না।’ তার মতে, গণমাধ্যমগুলো এ ব্যাপারে বোকার মতো আচরণ করছে। 

ব্রিটনি স্পিয়ার্স জানান, আত্মজীবনীর যেসব অংশের ওপর আলোকপাত করে গণমাধ্যমগুলো বিতর্ক উসকে দিচ্ছে, সে অবস্থা থেকে অনেক আগেই বের হয়ে এসেছেন তিনি। সেগুলো নিয়ে তার মধ্যে কোনো ক্ষোভ নেই। বর্তমানে তিনি খুবই চমৎকার জীবন কাটাচ্ছেন বলে জানান। ব্রিটনি বলেন, ‘এ বইয়ের অনেক ঘটনাই ২০ বছর আগের।’ তার গড়ে ওঠা ও যাত্রাপথের অভিজ্ঞতা হিসেবেই ঘটনাগুলো তিনি আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন বলে জানান খ্যাতনামা এ গায়িকা। সেসব ঘটনা পড়ে কেউ কেউ হয়তো আহত হতে পারেন। কিন্তু এটি মোটেই তার উদ্দেশ্য ছিল না। এমনকি তার অতীত অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করাও তার আত্মজীবনী লেখার উদ্দেশ্য নয়। তবে তার উদ্দেশ্য কী ছিল? এমন প্রশ্নের উত্তরে ব্রিটনি স্পিয়ার্স বলেন, ‘আমি আশাবাদী, আত্মজীবনীর মাধ্যমে আমি কিছু মানুষকে ভরসা দিতে পারব, যারা জীবনের বিভিন্ন সময়ে একাকীত্বে ভুগেছেন কিংবা তাদের কষ্ট দেয়া হয়েছে অথবা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।’

সূত্র: ভ্যারাইটি