ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ‘অংশগ্রহণ করেননি’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) মুক্তিযোদ্ধা হলে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমার জানা মতে, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ডাকসু নির্বাচনে সরাসরি অংশগ্রহণ করে নাই।’
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির—এ ব্যানারে এবারের ডাকসু নির্বাচনে কোনো প্যানেল দেয়া হয়েছিল কিনা—এ প্রশ্ন তুলে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ব্যানারে ঘোষণা দিয়ে ছাত্ররা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। অন্য কয়েকটি দল, এমনকি ইসলামী আন্দোলন নামে একটি দল প্যানেল করেছে। কেউ কেউ স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য নামে প্যানেল করেছে। কেউ সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ নামে করেছে। কিন্তু যারা স্বনামে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায়নি, তার একটা উদ্দেশ্য তো অবশ্যই আছে।’
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘যারা আজ ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট—এ ব্যানারে জয়ী হয়েছে, আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের অভিনন্দন জানাই। বহুদিন পর নির্বাচন হওয়ায় কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে। ডাকসুতে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের অভিনন্দন জানাই। এটা গণতন্ত্রের রীতি।’
জাতীয় রাজনীতিতে ডাকসু নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যারা অতীতে ডাকসুতে নির্বাচিত হয়েছেন, তারা বৃহৎ কোনো দলের ছাত্র সংগঠন না হলে জাতীয় রাজনীতিতে আসতেই পারেননি। কারো নাম নেব না। ডাকসুতে ভিপি, জিএস হয়েছেন—এমন নেতা জাতীয় রাজনীতিতে আছেন। কেউ বা হারিয়ে গেছেন। তাদের মধ্যে যারা বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তাদের কেউ কেউ জাতীয় সংসদে এসেছেন।’
বিএনপির এ নেতা আরো বলেন, ‘২৪-এর পরবর্তী সময়ে আমাদের সবচেয়ে বড় সংগ্রামের নাম হচ্ছে বাংলাদেশের নতুন যাত্রায় রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের সংগ্রাম। আমাদের এ রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের সংগ্রাম চালু রাখতে হবে। নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারা চালু করতে হবে, যে সংস্কৃতি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, সহনশীলতার সংস্কৃতি।’










