চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো দুজনের শরীরে জিকা ভাইরাসের অস্তিত্ব পেয়েছেন চিকিৎসকরা। সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ভাইরাসটির প্রাথমিক অস্তিত্ব পাওয়া যায়। আক্রান্ত একজন পুরুষ এবং অন্যজন নারী বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে জিকা ভাইরাস ইন্টারন্যাশনাল হেলথ রেগুলেশনসের (আইএইচআর) তালিকাভুক্ত রোগ হওয়ায় এটি নিশ্চিত করবে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) বিভাগ। যদিও আইইডিসিআর এ ব্যাপারে কোনো ঘোষণা দেয়নি।
চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্ত দুজনের শরীরে জ্বর, ব্যথা ও র্যাশ রয়েছে। এছাড়া হাত-পা ফোলা রয়েছে। জিকায় ডেঙ্গুর মতো জীবন ঝুঁকি নেই। তবে গর্ভবতী নারীদের অনাগত শিশু অপরিপূর্ণ হয়। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও জিকা—তিনটিই এডিস মশার কামড়ে হয়।
বাংলাদেশে প্রথম জিকা ভাইরাস শনাক্ত হয় ২০১৪ সালে। তবে এবারই প্রথম চট্টগ্রামে রোগটির অস্তিত্ব পাওয়া গেল, যা স্থানীয়ভাবে জনস্বাস্থ্য সতর্কতার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনসাধারণকে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার জানান, আক্রান্তদের এপিক হেলথ কেয়ারের ল্যাবে পরীক্ষা করালে তাদের রক্তে জিকা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তবে যেহেতু এটি একটি কম্বাইন কিটের মাধ্যমে করা হয়েছে, যা একাধিক ভাইরাস শনাক্তে ব্যবহার হয়, তাই চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণে আরো কিছু পরীক্ষা প্রয়োজন। তাদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।










