বর্ণিল আয়োজন ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিয়েছে চট্টগ্রামবাসী। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) চারুকলা ইনস্টিটিউটে শোভাযাত্রা, সিআরবির শিরিষতলার বর্ষবরণের অনুষ্ঠান, শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি ও সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়া হয়। অন্যদিকে গত রাতে ডিসি হিলে নববর্ষ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে হামলা চালানোর কারণে সেখানকার সব অনুষ্ঠান বাতিল করেন আয়োজকরা।
এদিন সকালে চবির চারুকলা ইন্সটিটিউট থেকে বের হয় ঐতিহ্যের শোভাযাত্রা। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের বাদশা মিয়া সড়কের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে চট্টেশ্বরী মোড় হয়ে আলমাস, কাজীর দেউড়ি মোড়, এস এস খালেদ রোড, প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ইউটার্ন হয়ে সার্সন রোড দিয়ে পুনরায় চারুকলা ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়। এ ছাড়া শিশু একাডেমি থেকে শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয়।
নববর্ষ উপলক্ষে সকালে নগরীর সিআরবিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন গান, কবিতা আবৃত্তির আয়োজন করে। তবে প্রতিবছরের তুলনায় এবার সিআরবিতে লোক সমাগম একেবারেই কম ছিল।
নগরীর ডিসি হিলে বর্ষবরণ মঞ্চে ভাঙচুরের ঘটনায় অন্য সব জায়গায় লোক সমাগম কমে গেছে বলে জানান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আগত দর্শনার্থীরা। সিআরবিতে আসা দর্শনার্থী ফজলুল করিম মানিক বণিক বার্তাকে বলেন, একে তো গরম, তার ওপর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে লোকসমাগম কম। সকাল থেকে কয়েক জায়গায় ঘুরেছি। কিন্তু শোভাযাত্রা বা মেলা কিছুই জমেনি। এ রকম পরিস্থিতি আমরা আশা করিনি। দেশীয় সংস্কৃতির ওপর আগ্রাসন চাইনা। নিজেদের সংস্কৃতি নিজেদেরই ধারণ ও রক্ষা করতে হবে।
সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাহমুদা বেগম বলেন, নববর্ষের সব অনুষ্ঠান ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের সড়কে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। শোভাযাত্রাগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। নিয়মিত চেকিং করা হচ্ছে।










