এছাড়া এক্সচেঞ্জটির অন্যান্য সূচকও এদিন পয়েন্ট হারিয়েছে। অন্যদিকে চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) এদিন সূচক ও লেনদেনে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল ডিএসইএক্স সূচক ৪১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৫ হাজার ৮১৪ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ দিনের ব্যবধানে ১১ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৬৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ১৭৬ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস এদিন ৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৫০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ১৫৮ পয়েন্ট। গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ব্র্যাক ব্যাংক, শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, ইসলামী ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ও গ্রামীণফোনের শেয়ার।

ডিএসইতে গতকাল ৯৯৮ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৯৯৫ কোটি টাকা। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৯০টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ২৬৬টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৪৭টির।

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ দশমিক ৯ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে বস্ত্র খাত। ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ দখলে নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বীমা খাত। প্রকৌশল খাত ১২ দশমিক ১ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ছিল। ৯ দশমিক ৫ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ স্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।

গতকাল বেশির ভাগ খাতের শেয়ারেই নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। সাধারণ বীমা খাতে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, সিমেন্ট ১ দশমিক ৬, কাগজ ১ দশমিক ৩, সিরামিক ১ দশমিক ২ ও জীবন বীমা খাতে ১ দশমিক ১ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। অন্যদিকে সেবা খাতের শেয়ারে এদিন দশমিক ৮ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে।

সিএসইর নির্বাচিত সূচক সিএসসিএক্স গতকাল ৬৭ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৪৫৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইর সব শেয়ারের সূচক সিএএসপিআই এদিন ১১১ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৫১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ২৩৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭১টির, কমেছে ১৩৪টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৩০টির। গতকাল সিএসইতে ৭৩ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১০৫ কোটি টাকা।