পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত আকাশযান হলো এয়ারবাস বেলুগা। আর্কটিক তিমির সঙ্গে এর নকশার দারুণ মিল। সে অনুসারে গোলগাল মনে হওয়া এয়ারবাসটির নামও রাখা হয়েছে। মূলত ইউরোপজুড়ে উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ পরিবহনে ব্যবহারের জন্য বিশাল আকারের বেলুগার নকশা করা হয়েছিল। প্রায় দুই দশক ধরে পরিষেবা দিয়ে যাওয়া বেলুগা এবার নতুন যুগে প্রবেশ করছে। সম্প্রতি বেলুগা নামেই নতুন এয়ারলাইনস কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বেলুগার একটি নতুন সংস্করণ তার পুরনো ফ্লিটকে প্রতিস্থাপন করে এয়ারবাস বেলুগা ট্রান্সপোর্ট নামে স্বতন্ত্র পণ্যবাহী এয়ারলাইনস হিসেবে যাত্রা করেছে। বেলুগার প্রথম সংস্করণটি মূলত এয়ারবাস সুপার ট্রান্সপোর্টার হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু সাদা আর্কটিক তিমির সঙ্গে থাকায় বর্তমান নামেই এয়ারবাসটি জনপ্রিয়তা পায়। তখন নাম পরিবর্তন করে বেলুগা এসটি নাম রাখে। আকাশযানটির প্রথমবার উড্ডয়ন ছিল ১৯৯৪ সালে। পরের বছর বেলুগা বাণিজ্যিক পরিষেবায় যোগ দেয়। বেলুগার আগে যন্ত্রাংশ পরিবহনে সুপার গাপ্পির একটি বহর ব্যবহার করে এয়ারবাস, যা ছিল ১৯৫০-এর দশকে ব্যবহৃত বোয়িং স্ট্র্যাটোক্রুজার যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের পরিমার্জিত সংস্করণ। এটি মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ পরিবহনের জন্য নাসার সঙ্গেও কাজ করছিল। একইভাবে এখন আসল বেলুগা আরো প্রশস্ত ও উন্নত মডেল বেলুগা এক্সএল দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। বেলুগা এসটির চেয়ে এটি দৈর্ঘ্য-প্রস্থে বেশ বড়। এয়ারবাস এ-৩৫০-এর দুটি ডানাই বহন করতে পারে বেলুগা এক্সএল। যেখানে আগেরটি একটি ডানা পরিবহন করতে পারত। বেলুগা ট্রান্সপোর্টের প্রধান বেনোইট লেমনিয়ার বলেন, ‘২০১৮ সাল থেকে ছয়টি বেলুগা এক্সএল তৈরি করা হয়েছে। অবশ্য বেলুগা এসটি পুরোপুরি বেকার হয়ে যাচ্ছে না; বিকল্প পরিষেবা হিসেবে এটি ব্যবহার হবে।’ খবর সিএনএন ও ছবি এয়ারবাস
নতুন পরিচয়ে এয়ারবাসের বেলুগা
পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত আকাশযান হলো এয়ারবাস বেলুগা। আর্কটিক তিমির সঙ্গে এর নকশার দারুণ মিল।










