নিত্যব্যবহার্য ও ভোগ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল)-এর চট্টগ্রামের কালুরঘাট কারখানা পরিদর্শন করেছেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশবিষয়ক ট্রেড এনভয় দ্য রাইট অনারেবল ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন ডিবিই, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার হার এক্সেলেন্সি সারা কুক ও ব্রিটিশ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদল। বাংলাদেশ–যুক্তরাজ্যের দীর্ঘ সহযোগিতার ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি জানাতে এ সফর।

প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান ইউনিলিভার বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আখতার, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ও ফাইন্যান্স ডিরেক্টর জিনিয়া হক, করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, পার্টনারশিপস অ্যান্ড কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর শামিমা আক্তার, কালুরঘাট কারখানার হেড অব ফ্যাক্টরি এস. এম. তারেক সাইফুল্লাহ।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল উৎপাদন লাইন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন।কর্মীদের সঙ্গে টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিনিময়ও করেন তারা। সফর শেষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন বলেন, ইউনিলিভারের কালুরঘাট কারখানা পরিদর্শন আমার জন্য একটি অনুপ্রেরণাদায়ী অভিজ্ঞতা। কর্মীদের নিষ্ঠা ও উদ্যম প্রশংসনীয়।

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশের সবুজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির যাত্রায় ইউনিলিভারের মতো বিনিয়োগকারী ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সফরে ইউনিলিভারের জলবায়ু সহনশীলতা, প্লাস্টিক হ্রাস, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও কমিউনিটি ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত উদ্যোগও তুলে ধরা হয়। প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণ একসঙ্গে এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

১৯৬২ সালে কালুরঘাটে প্রথম সাবান উৎপাদন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে ইউনিলিভারের বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু হয়। ছয় দশক ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের শিল্প উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও আস্থার এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ইউনিলিভারের ২১টিরও বেশি ব্র্যান্ডের ৯৬ শতাংশের বেশি দেশেই উৎপাদিত হয়। ১৯৭৩ সাল থেকে ইউনিলিভার বাংলাদেশের ৩৯ দশমিক ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক বাংলাদেশ সরকার—যা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের এক সফল দৃষ্টান্ত।

-বিজ্ঞপ্তি