বাংলাদেশের বাজারে উন্মোচিত হলো বিওয়াইডি অ্যাটো ৩ এর নতুন আপগ্রেডেড সংস্করণ। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে ফ্ল্যাগশিপ শোরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে গাড়িটির উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিজি রানার বিডি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান। এছাড়া ছিলেন বিওয়াইডি বাংলাদেশের বিপণন কর্মকর্তা ইমতিয়াজ নওশের, বিক্রয় বিভাগের প্রধান ফাহমিদ ফেরদৌসসহ অটোমোবাইল খাতের বিভিন্ন প্রতিনিধি। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন কৌশল ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপক শাহনুমা শারমিন।
নতুন সংস্করণে ব্যবহৃত হয়েছে লিথিয়াম আয়রন ফসফেট ব্লেড ব্যাটারি, যা দ্রুত চার্জ সুবিধা সমর্থন করে। ডিসি ফাস্ট চার্জারে মাত্র আধা ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জ নেয়া সম্ভব। ই-প্ল্যাটফর্ম ৩.০ ভিত্তিক গাড়িটি নিরাপত্তা ও কর্মক্ষমতায় উন্নত। ইউরোপীয় মান সংস্থা এনসিএপি থেকে এটি ফাইভ স্টার (পাঁচ তারকা) রেটিং পেয়েছে। নিরাপত্তার জন্য যুক্ত করা হয়েছে ৭টি এয়ারব্যাগ, চালকের আরামের জন্য রয়েছে ভেন্টিলেটেড ফ্রন্ট সিট ও আধুনিক ড্রাইভার সহায়ক ব্যবস্থা।
এ সংস্করণে আনা হয়েছে আরো কিছু পরিবর্তন। এর মধ্যে রয়েছে থমাস ব্ল্যাক ইন্টেরিয়র, নতুন নকশার কালো হেডলাইট, ১৮ ইঞ্চি টায়ার ও সাহসী রিম ডিজাইন। পাশাপাশি রয়েছে ১২ ভোল্টের উন্নত লিথিয়াম আয়রন ফসফেট ব্যাটারি।
বাজারে গাড়িটি পাওয়া যাবে দুটি ভ্যারিয়েন্টে। স্ট্যান্ডার্ড রেঞ্জ সংস্করণ একবার চার্জে ৩৪৫ কিলোমিটার চলবে, যার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ সংস্করণ একবার চার্জে ৪২০ কিলোমিটার চলতে সক্ষম, এর দাম রাখা হয়েছে ৫৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ক্রেতারা ব্যাটারির জন্য ৮ বছর বা ১ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার, মোটর ও কন্ট্রোলারের জন্য ৮ বছর বা ১ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার এবং পুরো গাড়ির জন্য ৬ বছর বা ১ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ওয়ারেন্টি সুবিধা পাবেন।
বিপণন কর্মকর্তা ইমতিয়াজ নওশের বলেন, বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহারে প্রস্তুত। তবে চার্জিং নেটওয়ার্ক সহজলভ্য করতে হবে। এজন্য বিওয়াইডি বাংলাদেশ অংশীদার, নীতিনির্ধারক ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
সিজি রানার বিডি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত দেশ গড়তে হলে সবার একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তাই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া এখন জরুরি। রানার গ্রুপ এরই মধ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে গাড়ি বাজারে আনছে। এছাড়া পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের ওপরও তারা গুরুত্ব দিচ্ছে।










