সম্প্রতি আয়োজিত এ বিশেষ সেশনে মিসির আলী চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক দিক, সাহিত্যিক মাহাত্ম্য এবং সিরিজটির পাঠকপ্রিয়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন সদস্যরা।

আলোচনায় উঠে আসে গতানুগতিক গোয়েন্দা চরিত্রের বাইরে মিসির আলীর স্বাতন্ত্র্য। মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক মিসির আলী অলৌকিক বলে মনে হওয়া বিভিন্ন রহস্যকে যুক্তির কষ্টিপাথরে বিশ্লেষণ করে সমাধানের চেষ্টা করেন। যুক্তি ও রহস্যের এ মেলবন্ধন কীভাবে পাঠককে গল্পের শেষ পাতা পর্যন্ত ধরে রাখে, তা নিয়ে নিজেদের মুগ্ধতার কথা জানান রিডিং ক্যাফের সদস্যরা।

সাহিত্য আড্ডায় মিসির আলী সিরিজের মনস্তাত্ত্বিক রহস্য, সাসপেন্স ও মানবিক দিকের সমন্বয় নিয়েও আলোচনা হয়। সদস্যরা সিরিজের অবিস্মরণীয় চরিত্র, অপ্রত্যাশিত টুইস্ট এবং ভাবজাগানিয়া বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

আলোচনায় হুমায়ূন আহমেদের গল্পে মধ্যবিত্ত জীবনের পটভূমি, সূক্ষ্ম রসবোধ ও বাস্তবতার বিষয়গুলো উঠে আসে। সাহিত্য আড্ডায় অংশ নেয়া সদস্যরা বলেন, ‘গল্পের শেষদিকে রহস্যময়তা ও টান টান উত্তেজনা মিসির আলীর কাহিনীগুলোকে একনাগাড়ে পড়ার মতো “‍পেজ-টার্নার”-এ পরিণত করেছে। এ কারণেই সিরিজটি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন বয়সী পাঠকের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে আছে।’

‘রিডিং ক্যাফে’ ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীদের একটি বিশেষ উদ্যোগ। সহকর্মীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস, চিন্তাশীলতা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাকে উৎসাহিত করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। বিভিন্ন বই নিয়ে নিয়মিত মাসিক আলোচনা আয়োজনের মাধ্যমে ক্লাবটি ব্যাংকের কর্মীদের মধ্যে সৃজনশীলতা, মেধার বিকাশ এবং ধারাবাহিকভাবে শেখার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে।