বাকি ৪২ লাখ ৮৭ হাজার শেয়ার নমিনি হিসেবে তার পুত্র ও কোম্পানিটির পরিচালক তানভীর সিনহার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি ল্যাবরেটরিজের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২১১ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৯৪৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২১ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৭০০। এর ৪০ দশমিক ৩৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩২ দশমিক ৫৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮ টাকা ২৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩২ টাকা ২৭ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি ল্যাবরেটরিজের ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৪৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৬১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৬ টাকা ৩৭ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি ল্যাবরেটরিজের ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১৮ টাকা ৩৯ পয়সায়।
একমি ল্যাবরেটরিজের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।










