প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের পর্ষদে তাদের পারপেচুয়াল বন্ডের (পিআরইবিপি বন্ড) ইউনিটহোল্ডারদের জন্য চলতি বছরের ২৭ জুন থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকের জন্য ১০ শতাংশ কুপন রেট ঘোষণা করেছে প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে ২৬ জুন ২০২৪ পর্যন্ত অর্ধবার্ষিক সময়ের জন্য ১০ শতাংশ কুপন রেট ঘোষণা করেছে বন্ডটি।
গত বছরের ২৭ জুন থেকে ২৬ ডিসেম্বরের বিপরীতে ইউনিটহোল্ডারদের ১০ শতাংশ মুনাফা দিয়েছে বন্ডটি। ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে গত বছরের ২৬ জুনের বিপরীতেও ১০ শতাংশ কুপন রেট অনুমোদন করা হয়েছিল। ২০২২ সালের ২৭ জুন থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য বন্ডটির ইউনিটহোল্ডাররা ১০ শতাংশ হারে মুনাফা পেয়েছেন। এছাড়া বন্ডটি তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ইউনিটহোল্ডারদের ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ২৬ জুন পর্যন্ত সময়ের জন্য প্রথমবার ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মুনাফা দেয়।
২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি ডিএসইতে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে বন্ডটির লেনদেন শুরু হয়। বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হয় বন্ডটির ইউনিট। বন্ডটির পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকা। এর প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ৫ হাজার টাকা। মোট ইউনিটের সংখ্যা ৪০ হাজার। গত এক বছরে বন্ডটির ইউনিট দর ৪ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ৫ হাজার ১০০ টাকা ছিল।
২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮০১তম কমিশন সভায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকার এ বন্ড অনুমোদন দেয়া হয়।
বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হলো এটি আনসিকিউরড, কনটিনজেন্ট-কনভার্টিবল, পুরোপুরি পরিশোধিত, নন-কিউমুলেটিভ ও ব্যাসেল থ্রি কমপ্লায়েন্ট। বন্ডটির ১৮০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট ও বাকি ২০ কোটি টাকা পাবলিক অফারের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়েছে। এ বন্ডের ইউনিটপ্রতি অভিহিত মূল্য ৫ হাজার টাকা। কুপন হার ৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মিউচুয়াল ফান্ড, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, তালিকাভুক্ত ব্যাংক, আঞ্চলিক রুরাল ব্যাংক, ট্রাস্ট, সংগঠন, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে ইস্যু করা হয়। এডিশনাল টিয়ার ওয়ান মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করতে বন্ডটি ইস্যু করে প্রিমিয়ার ব্যাংক।
বন্ডের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড। এছাড়া অ্যারেঞ্জার, ইস্যু ম্যানেজার ও আন্ডাররাইটার হিসেবে রয়েছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।










