পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হামি ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির পর্ষদ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ জুন। 

চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ৫৬ পয়সা লোকসান হয়েছিল। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ১০ পয়সায়। এছাড়া চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ১৯ পয়সা লোকসান হয়েছিল।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ সুপারিশ করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৩ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৯৭ পয়সায়। 

কোম্পানিটির আগে নাম ছিল ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চট্টগ্রামভিত্তিক বোতাম প্রস্তুতকারক কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭৭ লাখ।