পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির উদ্যোক্তা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম কোম্পানিটির ১ লাখ শেয়ার বিক্রি করেছেন। গত বছরের ৪ জানুয়ারি ডিএসইর বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
দেশের পুঁজিবাজারে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের লেনদেন শুরু হয় ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৩০২ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০ হাজার ১৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩০ কোটি ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৩। এর মধ্যে ৯৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ শেয়ারই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৪৭ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
গতকাল ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ৫৯৭ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক বছর ধরে শেয়ারটির দর ৫৯৪ থেকে ১ হাজার ৪৭ টাকা ৭০ পয়সায় ওঠানামা করেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩৪০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। প্রথমার্ধে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৭ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৪৫ টাকা ৭৫ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪৪ টাকা ২৬ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। পাশাপাশি কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের জন্য ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা রয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ টাকা ১৬ পয়সা।
এ বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪৩ টাকা ৭৩ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪২ টাকা ১৮ পয়সায়।
এর আগে ২০২২ হিসাব বছরের জন্য উদ্যোক্তা পরিচালকদের জন্য ১৫০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ। ২০২১ হিসাব বছরের জন্য উদ্যোক্তা পরিচালকদের ১৭০ শতাংশ নগদ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২০০ শতাংশ নগদ এবং উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়া হয়েছিল।
ওয়ালটনের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। সমাপ্ত ২০২০-২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের অনিরীক্ষিত প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমাজিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।










