আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটিতে রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আরামিটের পক্ষ থেকে ডিএসইকে জানানো হয়েছে, কোম্পানির যথাযথ নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকির পাশাপাশি এর সম্পদের সুরক্ষার জন্য রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। এরই মধ্যে রিসিভার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং আদালতের আদেশ অনুসারে দায়িত্ব পালন করছেন।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আরামিটের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ৪৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২৫ টাকা ৮৬ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল আরামিটের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২৮ টাকা ৬৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আরামিটের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩৬ টাকা ১০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আরামিটের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ২৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ৯৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আরামিটের ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৬৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫২ টাকা ২৮ পয়সায়।
১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরামিটের অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৬০ লাখ। এর ৬০ দশমিক ৭৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৩ দশমিক ৪৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










