বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে সক্ষম এমন নতুন ইঞ্জিন তৈরির ঘোষণা দিয়েছে টয়োটা, সুবারু ও মাজদা। এক যৌথ বিবৃতিতে গতকাল এ তথ্য দিয়েছে জাপানের তিন অটো জায়ান্ট। খবর রয়টার্স।
কার্বন নিঃসরণ প্রতিরোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নীতিনির্ধারকরা ২০৩০ সাল নাগাদ ’ইউরো-৭’ নামে কিছু বিধি প্রয়োগের চিন্তা করছেন। এর আওতায় ২০৩৫ সাল নাগাদ ইইউভুক্ত দেশে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে এমন গাড়ি নিষিদ্ধ হতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক গাড়ির বাজারে নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে নতুন কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে কোম্পানিগুলো।
বিবৃতিতে বলা হয়, টয়োটা, সুবারু ও মাজদা এমন অন্তর্দহন ইঞ্জিন তৈরির কথা ভাবছে, যা ইলেকট্রিক ফুয়েল ও বায়ো-ফুয়েলের মতো তুলনামূলক নিরাপদ জ্বালানিতে কাজ করতে সক্ষম। ফলে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কম হবে। এ ইঞ্জিন বৈদ্যুতিক ব্যাটারি ও মোটরের সঙ্গে আরো ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারবে। একই সঙ্গে ইঞ্জিনের আকারও ছোট করতে চায় কোম্পানিগুলো। এতে ইঞ্জিনের হুডের নিচে জায়গা বাঁচানো সম্ভব। ফলে গাড়ির সামনের অংশ আরো নিচু ও সুন্দর দেখাবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) খারাপ সময় পার করছে। তুলনামূলকভাবে দেশটিতে হাইব্রিড গাড়ির বাজারে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে টয়োটা। এ পরিস্থিতিতে নতুন ইঞ্জিন কোম্পানিটির অবস্থান আরো দৃঢ় করতে পারে।
কাবর্ন নিঃসরণ ইস্যুতে ইইউর দেয়া চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে টয়োটা। বাজার চাহিদাকে মাথায় রেখে কার্বন নিঃসরণ করে না, এমন হাইব্রিড গাড়ি বানানোর পরিকল্পনা করছে কোম্পানিটি।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রায় ২৪ লাখ গাড়ি বিক্রি করেছে টয়েটো। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ ভাগের দুই ভাগই হাইব্রিড গাড়ি। অন্যদিকে প্লাগ ইন হাইব্রিড, ফুয়েল-সেল ও অল-ব্যাটারি গাড়ি সব মিলিয়ে বিক্রি হয়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।
গত জানুয়ারিতে টয়োটার চেয়ারম্যান আকিও টয়োদা বলেন, ‘বৈশ্বিক মার্কেটের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ দখলে নিতে পারে ইভি। বাকি বাজার থাকবে হাইব্রিড, প্লাগ-ইন হাইব্রিড ও ফুয়েল সেল এবং অল-ব্যাটারি গাড়ির দখলে।










