নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ (এসএইচএসএস) আয়োজিত ‘এলামনাই কলক্যুয়াম সিরিজ - ফল ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএইচএসএস কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক তিনজন শিক্ষার্থী তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেছেন।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ ও উপ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক আবদুর রব খান। কলক্যুয়ামে উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী জিয়ানি মাহসিনা হক, সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স (এসআইপিজি) এর সাবেক শিক্ষার্থী আহমেদ এহসান কবির শান এবং ইংরেজি ও আধুনিক ভাষা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান প্রভাষক সারা কবির। এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইশরাত জাকিয়া সুলতানা। তিনি উপস্থাপকদের গবেষণা প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। মানবিক এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রিজওয়ানুল ইসলাম উদ্বোধনী বক্তব্যে উপস্থাপকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, গবেষণায় মৌলিকতা বজায় রাখা ও ধারাবাহিক চর্চা শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উপস্থাপকদের মধ্যে জিয়ানি মাহসিনা হক নীতিবিজ্ঞান ও আইন বিষয়দ্বয়ের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। আহমেদ এহসান কবির শান বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খাতে তৈরি পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তগ্রহণে এ শিল্পের উপেক্ষিত অবস্থাকে তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে প্রচলিত অবস্থানের পরিবর্তনের দিকে গুরুত্বারোপ করেন।
সারা কবির তার গবেষণাপত্রে বিখ্যাত জাপানি অ্যানিমেশন স্টুডিও স্টুডিও ঘিবলি কীভাবে মানসিক অবসাদ, ক্ষত ও শোকের বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করে ও শৈশবকে চিত্রায়ন করে, সে বিষয়ে উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানের আলোচক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও আধুনিক ভাষা বিভাগের অধ্যাপক ড. একিউএমএ রহমান ভূঁইয়া উপস্থাপিত গবেষণাপত্রগুলোর পদ্ধতিগত দিক ও গবেষণার মানোন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে পরামর্শ দেন এবং পরবর্তীতে এগুলোর প্রকাশনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সমাপনী বক্তব্যে অধ্যাপক আবদুর রব খান সাবেক শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এ ধরণের গবেষণাকর্মের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা ও পেশাগত বিকাশের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষক ও অংশগ্রহণকারীরা গবেষণাপত্রগুলোর ওপর তাদের মতামত ও প্রশ্ন তুলে ধরেন, যা অনুষ্ঠানে প্রাণবন্ত ও শিক্ষণীয় আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি করে।
—বিজ্ঞপ্তি










