সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ঘোষিত লভ্যাংশ পুনর্বিবেচনার সভা করবে পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রূপালী ব্যাংক পিএলসির পর্ষদ। ব্যাংকটির পর্ষদ আজ বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে করা বৈঠকের বিষয়ে সভা করবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, গত ২ মে ডিএসইতে ব্যাংকটি সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার ঘোষণা দেয়। আলোচ্য হিসাব বছরে রূপালী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৯০ পয়সায়।
চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা, আগের বছর একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩৮ পয়সাল। সে হিসাবে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস বেড়েছে ২৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। গত ৩১ মার্চ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৬ টাকা ১০ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩৭ টাকা ১৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। এ হিসাব বছরেও কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটি। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে রূপালী ব্যাংক। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি।
আগের হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটি। ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা। এছাড়া ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য ২৪ শতাংশ স্টক, ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক ও ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৭০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৬৪ কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৩২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৬ কোটি ৪৬ লাখ ৯৭ হাজার ২০৫। এর মধ্যে ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশ সরকারের কাছে, ৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ব্যাংকটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৬০ পয়সায়। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ২২ টাকা ৭০ থেকে ৪৫ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।










