দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হয়েছে ৩০৭ কোটি টাকা। এর আগে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ডিএসইতে ২৯২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। এছাড়া গতকাল ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১ শতাংশ।

বাজার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স ৫০ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২২৯ পয়েন্টে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৫ হাজার ২৭৯ পয়েন্ট। ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ গতকাল দিন শেষে ১৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে ছিল ১ হাজার ৮৮৭ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস দিন শেষে ১৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩৯ পয়েন্টে, আগের কার্যদিবসে ছিল ১ হাজার ৫৫৩ পয়েন্ট।

গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি (বিএটিবিসি) ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারের।

ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের তুলনায় গতকাল লেনদেন কমেছে ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ। এদিন ১২ কোটি ৭৯ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৫ সিকিউরিটিজ ৮৫ হাজার ২৬২ বার হাতবদল হয়েছে। গতকাল এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৯৪টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ৬৪টির, কমেছে ২৮৬টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪৪টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে ছিল বস্ত্র খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ দখলে ছিল ওষুধ খাতের। ১২ দশমিক ৫ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ব্যাংক খাত। মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৩ শতাংশের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল মিউচুয়াল ফান্ড খাত। আর প্রকৌশল খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৬ দশমিক ৩ শতাংশ।

ডিএসইতে গতকাল ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে কেবল মিউচুয়াল ফান্ড ও টেলিকম খাতে। এ দুই খাতে রিটার্ন এসেছে যথাক্রমে দশমিক ৯ ও দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে নেতিবাচক রিটার্নে শীর্ষ ছিল সিরামিক, তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত। এ তিন খাতে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে যথাক্রমে ২ দশমিক ৪, ২ দশমিক ৩ ও ২ দশমিক ২ শতাংশ।