পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংক পিএলসির গত সপ্তাহে শেয়ারদর কমেছে ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২০ টাকা ৮০ পয়সা। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) যমুনা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ টাকা ৬৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩১ মার্চ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৬০ পয়সায়। 

সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ব্যাংকটি ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৬৭ পয়সায়। 

এর আগের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল যমুনা ব্যাংকের পর্ষদ। ২০২১ হিসাব বছরে ব্যাংকটি সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল যমুনা ব্যাংক।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৮৮২ কোটি ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ১৫৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৮ কোটি ২০ লাখ ৭ হাজার ১৬৫। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ২৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ৪৬ দশমিক ৭২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।