দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গত কয়েক মাসে টেক জায়ান্টগুলোর কর্তাব্যক্তিদের উপস্থিতি বেড়েছে। এ তালিকায় সর্বশেষ নাম ইলোন মাস্ক। ইন্দোনেশিয়া সফরকালে গত রোববার দেশটিতে স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করেন তিনি। খবর সিএনএন।
মূলত ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য খাতের পরিসর বাড়াতে স্টারলিংক উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট কাজ করবে। এ উদ্যোগ দ্বীপপুঞ্জটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট অ্যাকসেস উন্নত করবে। এ উপলক্ষে প্রাদেশিক রাজধানী ডেনপাসারের একটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এ সময় ইলোন মাস্ক বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ায় স্টারলিংক পরিষেবা দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে লাখ লাখ মানুষকে ইন্টারনেটে প্রবেশে সহায়তা করবে।’
এদিন ইন্দোনেশিয়ার তিনটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্টারলিংক পরিষেবা চালু করা হয়। এর মধ্যে দুটি পর্যটনের জন্য পরিচিত বালি ও একটি মালুকুর প্রত্যন্ত দ্বীপ আরুতে অবস্থিত।
স্টারলিংক পরিষেবা চালুর সময় এক ভিডিও ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করা হয়। কীভাবে উচ্চ ইন্টারনেট গতি হালনাগাদ সময়ের ডাটা ইনপুটের জন্য অনুমতি দেয়, যা অপুষ্টির মতো স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জগুলোকে আরো ভালোভাবে মোকাবেলা করতে সহায়তা করে; বিষয়টি ভিডিওতে দেখানো হয়।
ইন্দোনেশিয়ার বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) শিল্পে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে ইলোন মাস্ক জানান, তিনি প্রথমে স্টারলিংকের দিকেই মনোনিবেশ করছেন।
কয়েক বছর ধরে ইলোন মাস্কের ইভি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার। এক্ষেত্রে ইভি শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ নিকেল প্রাচুর্যকে সামনে এনেছে দেশটি।
এর আগে স্টারলিংক খুচরা গ্রাহকদের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করার অনুমতি পেয়েছিল। তখন খুব ছোট অ্যাপারচার টার্মিনাল (ভিএসএটি) পারমিট পেয়ে নেটওয়ার্ক সরবরাহ করছিল বলেও জানান ইন্দোনেশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী বুদি সেটিয়াদি।
পৃথিবীকে প্রদক্ষিণকারী প্রায় ৭ হাজার ৫০০টি উপগ্রহের ৬০ শতাংশের মালিক স্পেসএক্সের স্টারলিংক। স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে এটি শীর্ষস্থানীয় সংস্থা।
গত বছর মালয়েশিয়ায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পায় স্টারলিংক। এরপর ইন্দোনেশিয়া হবে তৃতীয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ যেখানে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করবে। এছাড়া ইউক্রেনে সামরিক, হাসপাতাল ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে স্টারলিংকের পরিষেবা।










