মালয়েশিয়ায় রাজধানী কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেজ (মিহাস)। আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে থেকে শুরু হয়েছে বিশ্বের অন্যতম বড় হালাল এ পণ্য প্রদর্শনী। কুয়ালালামপুরের মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে চার দিনব্যাপী ২১তম মিহাস ফেয়ার চলবে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
২০০৪ সাল থেকে নিয়মিতভাবে আয়োজিত এ মেলায় এ বছর ৯০টি দেশের ২৩০০ স্টলে অংশ নিয়েছে বিভিন্ন কোম্পানি। ২০২৪ সালে এ মেলায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি তাৎক্ষণিক ব্যবসায়িক লেনদেন হয়েছিল। মেলায় অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ৪০ হাজার দর্শনার্থী।
বাংলাদেশের বহুজাতিক খাদ্যপণ্য কোম্পানি প্রাণ এ বছরও মেলায় অংশগ্রহণ করেছে দুটি স্টল নিয়ে। সেখানে তারা ৩ শতাধিক পণ্য প্রদর্শন করছে। যার মধ্যে রয়েছে স্ন্যাকস, জুস ও ড্রিংকস, বিস্কুট, বেকারি ও কনফেকশনারি পণ্য। নতুন করে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে কোরিয়ান নুডলস, বিভিন্ন ধরনের বিস্কুট ও বাসিল সিড ড্রিংকসের ওপর। প্রাণের সব পণ্যই মালয়েশিয়ার জাকিম হালাল সার্টিফায়েড।
মালয়েশিয়ায় প্রাণের একমাত্র আমদানি পিনাকল ফুডসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম ভুঁইয়া জানান, প্রাণের মূল লক্ষ্য আসিয়ান, দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপের বাজারে হালাল ফুড ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা। মেলা থেকে অন্তত ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রফতানি অর্ডার সংগ্রহ করতে চায় প্রাণ। মালয়েশিয়ার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া ও ব্রুনাইও প্রাণের জন্য বড় সম্ভাবনাময় বাজার।
তিনি জানান, বিশ্ব হালাল অর্থনীতির সম্ভাবনা বুঝে নতুন পণ্যে ইনোভেশন আনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য মিহাস ফেয়ারকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে প্রাণ ।
শুধু মিহাস নয়, প্রাণ নিয়মিতভাবে অংশ নিচ্ছে দুবাইয়ের গালফ ফুড ফেয়ার, জার্মানির আনুগা এবং ফ্রান্সের সিয়ালের মতো আন্তর্জাতিক খাদ্য প্রদর্শনীতেও। বর্তমানে ১৪৮টি দেশে প্রাণের পণ্য রফতানি হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রাণের রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে মালয়েশিয়ায় ৩০ মিলিয়ন ডলারের খাদ্যপণ্য রফতানি করেছে প্রাণ।










