ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেডের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৮ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫৮ পয়সা। এ বছরের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৫১ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ইপিএস হয়েছে ৫৪ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৬৭ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৫৩ পয়সায়।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা হয়েছিল ৭০ পয়সা। এর আগে ২০২১ হিসাব বছরে ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য ৮ শতাংশ নগদ, ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও ২০১৮ হিসাব বছরে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৪৯ কোটি ৯১ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৯৯ লাখ ১২ হাজার ২৬২। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৪১ দশমিক ৪০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ, বিদেশীদের কাছে দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










