বাংলাদেশে রিয়েল টাইম পেমেন্টসের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছে দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেড (এইচএসবিসি)। সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মূল শিরোনাম ছিল ‘রিডিফাইনিং ট্রেজারি থ্রু রিয়েল টাইম পেমেন্টস’।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রিয়েল টাইম লেনদেনের প্রবণতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এগোতে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
আয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, করপোরেট খাত ও এইচএসবিসির বিভিন্ন কর্মকর্তা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের পরিচালক আরিফ হোসেন খান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ফাংশনাল কনসালট্যান্ট (ইলেকট্রনিক পেমেন্ট অ্যান্ড ট্রান্সফার) কে এম মোখলেসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক খাইরুল আনাম, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের ফাইন্যান্স পরিচালক উজমা চৌধুরী এবং এইচএসবিসি এশিয়া অঞ্চলের গ্লোবাল পেমেন্টস সলিউশনস বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্যাট্রিক জু।
বক্তারা রিয়েল টাইম পেমেন্টসের বিকাশ, সরকারের উদ্যোগ, সুযোগ-সুবিধা ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল সম্ভাবনা নিয়ে মতামত দেন। তারা বলেন, নতুন উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও করপোরেট খাতের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অপরিহার্য।
প্রধান অতিথি আরিফ হোসেন খান বলেন, রিয়েল টাইম পেমেন্টস এখন আর বিকল্প নয়। এটি আধুনিক আর্থিক অবকাঠামোর অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে।
প্যাট্রিক জু বিশ্বব্যাপী রিয়েল টাইম পেমেন্টসের সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, এটি ব্যবসায়িক খাতে গতি ও দক্ষতার নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে এবং শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামোর মাধ্যমে কার্যকর হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ চাইলে এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশে ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে পেমেন্ট অবকাঠামোকে ডিজিটালে রূপান্তর করতে পারে। এইচএসবিসি তার অভিজ্ঞতা ও সমাধান দিয়ে এ যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি এইচএসবিসি এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আটটি দেশের ৪৬০ জন ট্রেজারি ও ফাইন্যান্স খাতের প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করেছে। এর ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয় ‘রিডিফাইনিং ট্রেজারি ইন এশিয়া প্যাসিফিক: ভয়েসেস অব ট্রেজারি’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন। এতে বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রেজারির অগ্রাধিকার, অনিশ্চয়তা মোকাবেলা ও শিল্পখাতের ভূমিকা নিয়ে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটি এইচএসবিসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
—বিজ্ঞপ্তি










