সভায় ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৬৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৭৩ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি মাইডাস ফাইন্যান্সিং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৬৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৬ টাকা ৭৯ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মাইডাস ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৬০ পয়সায়।
মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ২০২৫ হিসাব বছরের ১১ আগস্ট পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি।
২০০২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মাইডাস ফিন্যান্সিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৪৩ কোটি ৮৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসান ৭৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯২ হাজার ৫০৭। এর মধ্যে ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৬ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৪১ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।










