সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। এর মধ্যে স্টক লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) আইপিডিসি ফাইন্যান্সের সুদ আয় হয়েছে ১৯৭ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১৭৩ কোটি টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির নিট মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে আইপিডিসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ২৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে আইপিডিসির ইপিএস হয়েছে ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪৩ পয়সা। সে হিসাবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ৬২ দশমিক ১৪ শতাংশ। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ১৯ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডোরদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করে আইপিডিসির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৭ টাকা ১২ পয়সা।
২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আর্থিক খাতের কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয় ২ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ১২ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স। আলোচ্য সময়ে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯০ পয়সা।










