একদিকে প্রযুক্তি, অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি; অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ, জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ক্রমবর্ধমান সংকট। বিশ্ব আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে উন্নয়নের পথ নির্বাচনই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবনমান, নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব।

বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে কম দায়ী দেশগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও এর ভয়াবহ পরিণতি বহন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকেই। বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা ও জলবায়ু মূল্যায়নে বারবার উঠে এসেছে জলবায়ু ঝুঁকির বিচারে বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অন্যতম। ফলে পরিবেশ সংরক্ষণ এখানে শুধু প্রকৃতি প্রেমের বিষয় নয়; এটি অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বহু সূচকে প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে, দারিদ্র্যের হার কমেছে, অবকাঠামো উন্নত হয়েছে ও শিল্প উৎপাদন বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবেশগত চাপও বহুগুণে বেড়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের চাপে নদী, খাল, জলাভূমি, বনভূমি ও কৃষিজমি সংকুচিত হচ্ছে। অপরিকল্পিত নির্মাণ, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি ও শিল্পবর্জ্যের অনিয়ন্ত্রিত নিঃসরণ পরিবেশকে ক্রমাগত ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বাংলাদেশে এরই মধ্যে দৃশ্যমান। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনের প্রকোপ বাড়ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে লবণাক্ততা অভ্যন্তরীণ অঞ্চলেও প্রবেশ করছে। কৃষিজমির উর্বরতা কমছে, বিশুদ্ধ পানির সংকট ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দশকে উপকূলীয় অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য অংশ স্থায়ী বা মৌসুমি জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এতে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বাস্তুচ্যুতি আগামী দিনের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটগুলোর একটি হতে পারে। উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও কৃষিজমির ক্ষতির কারণে মানুষ জীবিকার সন্ধানে শহরমুখী হচ্ছে। এ প্রবণতা আরো বাড়লে নগর এলাকায় জনসংখ্যার চাপ ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বড় শহরগুলো এরই মধ্যে আবাসন, পরিবহন, পানি, পয়োনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যসেবার চাপে রয়েছে। পরিবেশ উদ্বাস্তুদের সংখ্যা বাড়লে এসব সমস্যা আরো জটিল হবে। ফলে পরিবেশগত সংকট একসময় সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে।

যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা, নির্মাণকাজ, শিল্প-কারখানা ও নিম্নমানের জ্বালানির ব্যবহার বায়ুর মানকে বিপজ্জনক পর্যায়ে নিয়ে গেছে। শিশুদের ফুসফুসের বিকাশ, বয়স্কদের হৃদরোগ ও শ্বাসতন্ত্রের নানা জটিলতার সঙ্গে বায়ুদূষণের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়বৃদ্ধি, কর্মক্ষমতা হ্রাস ও উৎপাদনশীলতার ক্ষতি অর্থনীতির ওপরও দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশের বনভূমি বিভিন্ন কারণে হুমকির মুখে। অবৈধ দখল, বৃক্ষনিধন, পাহাড় কাটা, অবকাঠামো নির্মাণ ও জনসংখ্যার চাপ বনাঞ্চলকে সংকুচিত করছে।

বাংলাদেশের এ চরম পরিবেশ বিপর্যয়ের পেছনে প্রধানত কাজ করছে অতি নগরায়ণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের লাগামহীন শোষণ, অপরিকল্পিত শিল্পায়ন (ইটিপিবিহীন ট্যানারি ও টেক্সটাইল), অবৈধ ইটভাটা (কৃষিজমির টপসয়েল ও কালো ধোঁয়া), ফিটনেসবিহীন যানবাহন (অনিয়ন্ত্রিত ধোঁয়া ও কালো কার্বন), প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার (ওয়ান-টাইম প্লাস্টিকের প্লাবন, শিল্প-কারখানার উদাসীনতা, প্লাস্টিক সংস্কৃতির বিস্তার), যেখানে সেখানে গাছ কাটার প্রবণতা, শব্দদূষণে গুরুত্ব না দেয়া। আরো গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে মানুষের অসচেতনতা এবং বিভিন্ন কারণে বিদ্যমান আইন বাস্তবায়নে শৈথিল্য। পরিবেশের বিরূপ ফলাফল তাৎক্ষণিক দৃশ্যমান হয় না, বিধায় সমাজের সব শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতা দৃষ্টিগোচর হয় না। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় অনেক ক্ষেত্রেই পরিবেশগত ক্ষতির মূল্য অর্থনৈতিক হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয় না। ফলে স্বল্পমেয়াদে উন্নয়ন দৃশ্যমান হলেও দীর্ঘমেয়াদে তার সামাজিক ও পরিবেশগত ব্যয় বহুগুণে বেড়ে যায়।

পরিবেশ সংরক্ষণ-সংক্রান্ত বেশকিছু আইন, বিধিমালা বাংলাদেশে রয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশবিষয়ক আইন, বিধি বা নীতিমালাগুলোর মধ্যে অন্যতম দলিলগুলো হলো বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫, পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭, পরিবেশ আদালত আইন ২০১০, জাতীয় পরিবেশ নীতি ২০১৮, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন ২০১৭, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (BCCSAP) ২০০৯, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP) ২০২৩-৫০, বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০, মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান ২০২২-৪১, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন ২০১০, জাতীয় পানি নীতি ১৯৯৯, জাতীয় বননীতি ২০১৬ ইত্যাদি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবেলায় আরো নতুন আইন ও বিধিমালার প্রয়োজন রয়েছে; যেমন জলবায়ু শরণার্থী সুরক্ষা ও পুনর্বাসন আইন, প্লাস্টিক ও প্যাকেজিং রেসপন্সিবিলিটি অ্যাক্ট, ই-বর্জ্য ও বিপজ্জনক ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা আইন, কার্বন ট্যাক্স ও পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ আইন (Eco-Taxation), সবুজ ভবন নির্মাণ বিধিমালা ইত্যাদি।

কিন্তু বাস্তবতা হলো এত আইন বা বিধিমালা থাকার পরও পরিবেশ দূষণ ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। আইন প্রয়োগে দুর্বলতা, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা, রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্নীতি ও জনসচেতনতার ঘাটতি বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশগত অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত হয় না, ফলে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সরকারের অন্য সংস্থাগুলোর অক্ষমতা ও সমন্বয়হীনতাও অনেকাংশে দায়ী।

আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রথমত, পরিবেশ অধিদপ্তরকে আরো শক্তিশালী ও আধুনিকায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, দূষণ পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট তথ্য এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। তৃতীয়ত, পরিবেশ আদালতকে আরো সক্রিয় ও কার্যকর করতে হবে। চতুর্থত, পরিবেশগত অপরাধকে অর্থনৈতিক অপরাধের মতো গুরুত্ব দিয়ে বিচার করতে হবে। পঞ্চমত, স্থানীয় জনগণকে পরিবেশ পর্যবেক্ষণে সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে নাগরিক পর্যায়েও জবাবদিহি তৈরি হয়।

জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিকল্পিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু ও দুর্যোগ সংবেদনশীলতা, সামাজিক ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষি ভূমি ও জলাশয় সুরক্ষার লক্ষ্যে স্থানিক পরিকল্পনা আইন, ২০২৬ অনুসারে সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনা প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। স্থানিক পরিকল্পনা হলো ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ভূমির ব্যবহার নির্ধারণ করা। অর্থাৎ দেশের কোথায় আবাসন হবে, কোথায় শিল্পাঞ্চল হবে এবং কোন অঞ্চলটি সংরক্ষিত বন বা জলাশয় হিসেবে থাকবে, তা আইন দ্বারা নির্দিষ্ট করা। এটি মেনে চললে কৃষিজমি রক্ষা, শিল্প বনাম আবাসন পৃথক্‌করণ, অবকাঠামোগত শৃঙ্খলা, খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, যানজট ও বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হবে। অনেক সময় দেখা যায় স্বল্পমেয়াদি অর্থনৈতিক লাভের জন্য এমন প্রকল্প নেয়া হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করে। এ প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এখন গ্রিন গ্রোথ বা সবুজ প্রবৃদ্ধির ধারণা গ্রহণ করছে। বাংলাদেশকেও সে পথে এগোতে হবে।

বর্তমান প্রজন্ম আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর, সচেতন ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত। তারা পরিবেশবিষয়ক গবেষণা, উদ্ভাবন, সামাজিক আন্দোলন ও নীতি প্রণয়নে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিবেশ ক্লাব গঠন, জলবায়ু শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, স্থানীয় পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা, প্লাস্টিক বর্জন, সামাজিক বনায়ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের সবুজ প্রযুক্তিতে উৎসাহ দেয়া এখন সময়ের দাবি। গণমাধ্যমকে পরিবেশবিষয়ক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আরো জোরদার করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নীতিনির্ধারণে সহায়তাকারী তথ্য এবং বিশ্লেষণ সরবরাহ করতে হবে।

আগামী দশকের জন্য সরকারের পরিবেশ নীতির কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত—জলবায়ু অভিযোজন ও দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো, নদী পুনরুদ্ধার কর্মসূচি, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, বনভূমি সংরক্ষণ ও বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা, সবুজ শিল্পনীতি, কৃষি উন্নয়ন, নদী ও খাল খনন এবং পুনরুদ্ধার, পরিবেশ শিক্ষা এবং গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো।

বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে। একদিকে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা, অন্যদিকে পরিবেশগত ঝুঁকির ক্রমবর্ধমান চাপ। এ দুই বাস্তবতাকে পরস্পরের বিরোধী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরিবেশ ধ্বংস করে যে উন্নয়ন অর্জিত হয়, তা শেষ পর্যন্ত উন্নয়নকেই বিপন্ন করে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতি মানুষের প্রতিপক্ষ নয়, উন্নয়নেরও বাধা নয়, বরং প্রকৃতিই উন্নয়নের ভিত্তি। নদী, বন, মাটি, বায়ু এবং জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করেই একটি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

অতএব, সময়ের দাবি হলো পরিবেশকে উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রান্তিক বিষয় না ভেবে রাষ্ট্রীয় নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসা। কার্যকর আইন, সুশাসন, বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা, তরুণদের অংশগ্রহণ এবং নাগরিক সচেতনতার সমন্বয়ে বাংলাদেশ একটি সবুজ, সহনশীল ও টেকসই ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে পারে। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—উন্নয়ন হবে, কিন্তু প্রকৃতিকে ধ্বংস করে নয়; সমৃদ্ধি অর্জিত হবে, কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার বিসর্জন দিয়ে নয়। কারণ পরিবেশ রক্ষা মানে কেবল গাছপালা রক্ষা নয়, বরং জাতির ভবিষ্যৎ রক্ষা।

সিকদার আনোয়ার: কৃষি অর্থনীতিবিদ ও সাবেক সচিব