একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত মানোন্নয়ন, বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ এবং বেসরকারি সনদায়ন গুরুত্বপূর্ণ সব বাজারে প্রবেশের প্রধান নিয়ন্ত্রকে পরিণত হয়েছে, তবে এসব শুল্কের বিকল্প হিসেবে কাজ করছে না। বরং শুল্কের সঙ্গে সমান্তরালভাবে কাজ করছে। যে রূপান্তরের কথা শুরুতে বলেছি তা দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। এখন আর স্বল্প ব্যয়ে বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকা যায় না। জটিল ও ব্যয়বহুল মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে বহুগুণ বাড়াতে হয়।

গত শতকের নব্বই দশকের শেষদিকে প্রযুক্তির ব্যবহারে যেকোনো পণ্য বা সেবার মান নিয়ন্ত্রণের আকার ছিল ১৫ শতাংশেরও কম। তিন দশক পর তা কয়েক গুণ বেড়ে প্রায় ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। একটি উদাহরণ দেয়া যাক, তৈরি পোশাক খাতের কোনো রফতানিকারক শুধু একটি বাজারে প্রবেশ করার অনুমতি আদায়ের জন্য ছয়-সাতটি প্রযুক্তি নীতিমালা পূরণ করেন। দুই দশক আগেও এতগুলো নীতিমালা ছিল না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো উচ্চ আয়ের বাজারগুলোই আমাদের কিছু পণ্যের প্রধান রফতানি গন্তব্য। গন্তব্য যাত্রা নিরাপদ ও টেকসই করার লক্ষ্যেই নানা নীতিমালা। মূলত রফতানি দ্রব্য বা পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতেই এসব নীতিমালা প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু বৈশ্বিক মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার বিস্তারের পাশাপাশি পরস্পর আচ্ছাদিত শর্তের এক ধরনের জটিল জাল তৈরি হয়েছে। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে একাধিক মান ব্যবস্থার শর্ত মেনে চলতে হয়, যেগুলো প্রায়ই একই ধরনের পরিবেশ, শ্রম বা নিরাপত্তা বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু প্রতিটির জন্য আলাদা নিরীক্ষা ব্যবস্থা ও সনদায়ন প্রয়োজন হয়।

বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২৫ অনুযায়ী, পাকিস্তানের একটি বস্ত্র প্রতিষ্ঠান দাবি করেছে যে তারা বছরে ১৫টি টেকসই উন্নয়ন-সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে প্রায় ৭৫ হাজার ডলার ব্যয় করে। বাংলাদেশে আইএসও ১৪০০১ পরিবেশগত সনদের খরচ শুরু হয় প্রায় ৪৫০-৬০০ মার্কিন ডলার বা ৫৫-৭০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে আইএসও সনদ ফি ৮৭ ডলার বা ১০ হাজার টাকা, নবায়ন ফি ৪৩ ডলার বা ৫ হাজার টাকা এবং পরিদর্শন ফি ৩৫ ডলার বা সাড়ে ৪ হাজার টাকা যুক্ত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার সাধারণ ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজির অবস্থা বিচার করলে বোঝা যায়, এগুলো প্রায়ই ব্যয়সাধ্য নয়। এ সংকটের প্রত্যক্ষ প্রমাণ মেলে বাণিজ্য পরিসংখ্যানেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য ও কৃষিপণ্য প্রত্যাখ্যাত হওয়ার হার এ অঞ্চলের মোট রফতানিতে তাদের অংশের তুলনায় দুই থেকে চার গুণ বেশি। এ প্রত্যাখ্যান শুধু মান অনুসরণের ব্যর্থতার প্রতিফলন নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে আরো গভীর কাঠামোগত সমস্যা। মূলত বৈশ্বিক পর্যায়ে স্বীকৃত পরীক্ষাগারের অভাব, প্রশিক্ষিত নিরীক্ষকের অপ্রতুলতা এবং বিশ্বাসযোগ্য সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর সুযোগ না থাকা এ সংকটের জন্য দায়ী। সুযোগহীনতার কারণেই রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাণিজ্য করতে পারছে না।

উদ্বেগের বিষয় হলো, দক্ষিণ এশিয়ার রফতানি প্রক্রিয়া ও পণ্যের মানোন্নয়নে অগ্রগতি থমকে যাওয়া। আইএমএফের রফতানি মান সূচক অনুযায়ী, ১৯৬০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার অগ্রগতি ছিল বিস্ময়জাগানো এবং তা দ্রুতই উন্নত অর্থনীতির সঙ্গে ব্যবধান প্রায় কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু ২০০০ সালের পর সেই অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য ভাটা পড়ে। ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে এ অঞ্চলের রফতানি কাঠামোর মানের পতন ঘটে। উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান প্রায় অর্ধশত বছর আগের সমপর্যায়ে রয়ে গেছে, যা সাধারণত সাব সাহারান আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলের বাণিজ্যিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখা যায়। অথচ পূর্ব এশিয়ার অভিজ্ঞতা থেকে আমরা একেবারেই ভিন্ন চিত্র দেখতে পাই। চীন ও কোরিয়া প্রজাতন্ত্র তাদের বিস্তৃত শিল্পায়ন কৌশলের অংশ হিসেবে মানোন্নয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে রফতানিজাত পণ্যের গুণগত মান উন্নত করেছে। তারা গুণগত অবকাঠামোতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগকে কাজে লাগিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণকারী সংস্থাগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিক্রিয়া ছিল অসংহত ও মূলত প্রতিক্রিয়াশীল। ফলে জগদ্দল পাথরের মতো নিম্নমানের ইকুইলিব্রিয়ামে (স্থিতাবস্থায়) আটকে গেছে অর্থনীতি।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক বাংলাদেশ এখনো ব্যাপকভাবে মূল্যভিত্তিক প্রতিযোগিতার ও পশ্চিমা বাজারে বিশেষ সুবিধার ওপর নির্ভরশীল। যদিও দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত, তবুও মানোন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রণোদনা ও সক্ষমতা এ খাতে গড়ে ওঠেনি। অভ্যন্তরীণ বাজারে ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা না বাড়ায় উচ্চমানের পণ্যের চাহিদাও থাকে সীমিত, যা এ স্থবিরতাকে আরো ত্বরান্বিত করে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুণগত মান বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ ক্রমে তীব্র হচ্ছে। টেকসই উন্নয়নের মানদণ্ডগুলো কেবল স্বতঃপ্রণোদিত বৈশিষ্ট্য হিসেবে নয়, বরং এখন বাজারে প্রবেশের ন্যূনতম শর্ত হিসেবে কার্যকর হচ্ছে। যেমন মার্সিডিজ-বেঞ্জ ২০৩৯ সালের মধ্যে শুধু কার্বনমুক্ত অংশীদারদের কাছ থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর ক্ষেত্রেও ধীরে ধীরে আপাদমস্তক সাপ্লাই চেইন শনাক্ত করার শর্তাবলি বাড়ছে।

বাংলাদেশের পোশাক খাতে ৪০ লাখের বেশি মানুষ কাজ করছে এবং এটি দেশের মোট রফতানি আয়ে ৮০ শতাংশেরও বেশি অবদান রাখে। এটি একই সঙ্গে আমাদের সম্মুখে ঝুঁকি ও সুযোগের দ্বৈধতা হাজির করেছে। ‘বেটার ওয়ার্ক’ কর্মসূচি এবং ‘ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি অ্যাকর্ড’ দেখিয়েছে যে সমন্বিত শিল্পভিত্তিক উদ্যোগগুলো মানোন্নয়নের শর্তগুলোকে একত্র করতে সক্ষম এবং একই সঙ্গে কারখানা পর্যায়ে কার্যকর মানানুবর্তিতা গড়ে তুলতে পারে। এ উদ্যোগগুলোর সঙ্গে কিছু আইনি ও রাজনৈতিক বাধা জড়িত। এ বাধা মূলত কিছু বিতর্কের প্রতিফলন। নিয়ম নির্ধারণের ক্ষমতা কার হাতে থাকবে, কারা তা বাস্তবায়ন করবে এবং এতে কার কী ফায়দা—এ কয়েকটি মূল প্রশ্ন থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত।

রফতানির ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার যানবাহনের যন্ত্রাংশ শিল্প আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। দেশটির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সামগ্রিক শিল্প খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক মান, পরিবেশ-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা, শ্রম অধিকারের শর্ত এবং কার্বন নির্গমন কমানোর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে তাদের উৎপাদন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এজন্য দেশটি দক্ষ মানবসম্পদ, মজবুত অবকাঠামো, কারিগরি সক্ষমতা, প্রশাসনিক উদ্যোগ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা নিশ্চিত করেছে। তাই তিউনিসিয়ায় বিদেশী বিনিয়োগকারীরা শুধু মুনাফা নিয়েই যায়নি। তারা বিপণন ব্যবস্থার মানোন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে বাধ্য হয়েছে। আমাদের দেশে অল্প সময় হলেও বিদেশী বিনিয়োগ ও শিল্প সংগঠনের সম্পৃক্ততা বাড়ছে। তবে এখানে তিউনিসিয়ার মতো মজবুত মানের অবকাঠামো বা দূরদর্শী কৌশলগত সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। অথচ অর্থনীতির পরিসর বিবেচনায় আমাদের এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কথা নয়।

দেশের সামগ্রিক বাণিজ্য ঝুঁকিটা কেবল তৈরি পোশাক বা গতানুগতিক শিল্প খাতে নয়। ফাইভজি প্রযুক্তি, ডিজিটাল লেনদেন, সেমিকন্ডাক্টর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—এগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করার কিছু মানদণ্ড নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভাবতে হবে। এ মানদণ্ডই বিশ্ববাজারে আমাদের ভবিষ্যৎ অবস্থান নির্ধারণ করতে সহযোগিতা করবে। সমস্যা হলো উন্নয়নশীল দেশগুলো এখনো প্রযুক্তির ভোক্তা হয়েই আছে। সার্বিকভাবে এখনো দেশগুলো প্রযুক্তির উদ্ভাবক হয়ে উঠতে পারেনি। ভারত তার ইউপিআই ও আধারের মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছে, সদিচ্ছা ও পরিকল্পনা থাকলে একটি উন্নয়নশীল দেশও নিজেই মানদণ্ড তৈরি করতে পারে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এ ব্যবস্থা থেকে শিক্ষা পায়নি কিংবা অনুসরণ করতে পারেনি। ফলে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাজারে আমাদের প্রতিযোগিতার সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। এ সংকোচন উদ্বেগের অবশ্যই। কারণ প্রযুক্তিগত মানদণ্ড একবার নির্ধারিত হয়ে গেলে তা এক ধরনের মাধ্যাকর্ষণের মতো কাজ করে, বাকি সবাইকে সেই কাঠামোর মধ্যেই চলতে হয়। দক্ষিণ এশিয়াকে বাদ দিয়ে যখন প্রযুক্তির মানদণ্ড তৈরি হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় ভাষা, বাস্তবতা ও উন্নয়নের অগ্রাধিকারগুলো উপেক্ষিত থাকে।

অর্থনৈতিক এ সংকটের শিকড় আসলে দক্ষিণ এশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিভক্ততায়। ঐতিহাসিক বাস্তবতা, আন্তঃরাষ্ট্রীয় টানাপড়েন ও রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং বাণিজ্যিক সংযোগের চেয়ে নিরাপত্তাকে সর্বদা আগে রাখার প্রবণতা এ অঞ্চলকে একসঙ্গে এগোতে দিচ্ছে না। আসিয়ানে যেখানে আঞ্চলিক বাণিজ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মোট বাণিজ্যের ৩০ শতাংশেরও বেশি, সেখানে দক্ষিণ এশিয়ায় তা মাত্র ৫ শতাংশ। এ মুহূর্তে করণীয় কী, সেটা অস্পষ্ট নয়। প্রথমত, ক্ষমতাসীন সরকারকে মানসম্পন্ন পরীক্ষাগার, মাননিয়ন্ত্রণ, প্রশিক্ষিত নিরীক্ষক ও সহায়ক প্রশাসনিক, কারিগরি ও টেকসই পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো গড়তে আগেভাগেই বিনিয়োগ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা যাতে আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন নিতে পারে, সেজন্য তাদের আর্থিক সহায়তা, নিয়ন্ত্রক সুবিধা ও দলগত সার্টিফিকেশনের সুযোগ দিতে হবে। তৃতীয়ত, সার্ক বা বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক জোটগুলোকে সক্রিয় করতে হবে। ভূরাজনৈতিক জোটের মাধ্যমে আঞ্চলিক মানদণ্ড একীভূত করতে হবে। এভাবে একদিকে খরচ কমে, অন্যদিকে বৈশ্বিক আলোচনায় দক্ষিণ এশিয়ার সম্মিলিত কণ্ঠস্বর জোরালো হয়। চতুর্থত, রফতানি সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে।

বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২৫ সতর্ক করেছে যে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে উন্নয়নের সিঁড়ি থেকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। অর্থাৎ যে পথে ধনী দেশগুলো ঐতিহাসিকভাবে উন্নত হয়েছে, সেই পথ এখন দরিদ্র দেশগুলোর জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এ সতর্কতা বিমূর্ত নয়, একেবারে বাস্তব। বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে কেবল অনুসরণকারী হিসেবে টিকে থাকার দিন শেষ। টেকসই উন্নয়নে মানদণ্ড গঠনে সক্রিয় ভূমিকা না নিলে এ অঞ্চল উচ্চমূল্যের বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে দীর্ঘমেয়াদে ছিটকে পড়বে। প্রয়োজনীয় নীতি কাঠামোর ছক ও সফল দৃষ্টান্ত উভয়ই এ অঞ্চলের সামনে উপস্থিত। ঘাটতি কেবল একটিই, যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং বাস্তবায়নে অনাগ্রহ। এ অনাগ্রহ দীর্ঘায়িত হলে দেশী-বিদেশী ঋণ সহায়তা পাওয়ার পথ সহজ হবে।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান: গবেষণা পরিচালক, ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিটিকস (দায়রা)

জাহিদ হোসেন: গবেষণা সহকারী, ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিটিকস (দায়রা)