বিগত সময়ে বিজ্ঞানীরা যে সতর্কতার কথা বলেছেন, সেগুলো আর তাত্ত্বিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এগুলো আজ বাস্তব সমস্যায় রূপ নিয়েছে। বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বেড়ে আজ প্যারিস চুক্তির ১ দশমিক ৫ শতাংশ সীমানার বিপজ্জনক দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাচ্ছে। বাংলাদেশের মতো বদ্বীপ অঞ্চলের জন্য এটি স্রেফ কাগুজে পরিসংখ্যান নয়, সরাসরি অস্তিত্বের লড়াই। জলবায়ুর চরমভাবাপন্ন রূপের সবচেয়ে বড় আঘাত পড়ছে দেশের কৃষি উৎপাদন ও এর প্রাণশক্তি মাটির ওপর। ২০২২ সালের জরিপ অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ায় উপকূলীয় অঞ্চলের ১১ লাখ হেক্টরেরও বেশি আবাদি জমি তীব্র লবণাক্ততার গ্রাসে। অন্যদিকে সমতলের মাটির স্বাস্থ্যও সংকটে।
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তীব্র তাপপ্রবাহ এবং রাসায়নিক সার, বালাইনাশক ও সালফারের যথেচ্ছ ব্যবহারে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ কৃষিজমি অম্লীয় এবং ৫৮ শতাংশ জমিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ খুব কম। লবণাক্ততা ও অম্লতার এ দ্বিমুখী আগ্রাসনে ফসলের পুষ্টি জোগানোর মূল কারিগর, উপকারী অণুজীব বা ‘সয়েল মাইক্রোবায়োম’ সংকটজনক মাত্রার নিচে নেমে গেছে। প্লাস্টিক দূষণও এক্ষেত্রে প্রভাব রাখছে। তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্যিক বিশ্বে উৎপাদন অব্যাহত রাখতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশই সবচেয়ে বেশি রাসায়নিক সার ব্যবহার করে। এটি জনস্বাস্থ্যকে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিতে ঠেলে দিচ্ছে। এমন সংকটকালে উন্নত প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ‘ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’ ভালো সমাধান।
জলবায়ু ও খাদ্য সুরক্ষার ত্রিমুখী সংকট
দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি কৃষি খাত ত্রিমুখী পরিবেশগত সংকটের মুখে। জলবায়ু পরিবর্তন এখানে ঝুঁকিবর্ধকের ভূমিকা রাখছে। ফলে খাদ্যের উৎপাদন ও গুণগত মান চরম হুমকির মুখে পড়ছে। সিপিডির এক নীতিপত্রে জানানো হয়েছে, কৃষি উৎপাদন কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ ঘটে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ায় ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ১৭ শতাংশ এলাকা চিরতরে তলিয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে লাখ লাখ মানুষ গৃহহীন হওয়ার পাশাপাশি উর্বর আবাদি জমি হারানোর ঝুঁকিও থাকে। তবে চূড়ান্ত এ বিপর্যয়ের আগে বর্তমানে সবচেয়ে বড় সংকট লবণাক্ততা। ২০২২ সালের জরিপ অনুযায়ী, উপকূলের ২৮ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ১১ লাখ হেক্টর জমি বিভিন্ন মাত্রায় লবণাক্ততার শিকার। এর প্রভাবে কিছু এলাকার ফলন ৩০-৫০ শতাংশ কমেছে। এদিকে উত্তপ্ত ও চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর কারণে ফসলে রোগবালাই ও ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়ছে। এসব ক্ষতি সামাল দিতেই কৃষকরা অসচেতনভাবে রাসায়নিক কীটনাশক ও সার ব্যবহার করছেন। তাতে খাদ্য উৎপাদন বাড়লেও ফসলে থেকে যাচ্ছে বিষাক্ত রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ।
শুধু উৎপাদন পর্যায়েই নয়, জলবায়ুর এ বিরূপ প্রভাব পড়ছে ফসল কাটার পরবর্তী ধাপেও। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যমান ফসল সংরক্ষণ ব্যবস্থা আক্ষরিক অর্থেই ভেঙে পড়ছে। নিরবচ্ছিন্ন ‘কোল্ড চেইন’ বা নিয়ন্ত্রিত হিমায়িত পরিবহন ব্যবস্থার অভাবে পচনশীল খাদ্যদ্রব্য দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। এগুলো খাদ্যনিরাপত্তার জন্য যেমন হুমকি, তেমনি জনস্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। ফসল কাটার পরবর্তী সময়ে পণ্য সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনার উন্নতির মাধ্যমে ৪০ শতাংশ অপচয় রোধ সম্ভব। সংকটকালে কৃষিকে লাভজনক করার জন্য কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। বাংলাদেশ জলবায়ু সহনশীল ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনে সফল। কিন্তু মাঠপর্যায়ে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আইওটি বা ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ২ শতাংশের কম। একই সংকটে ভুগতে থাকা ভিয়েতনাম উপকূলীয় অঞ্চলে স্বয়ংক্রিয় লবণাক্ততা পর্যবেক্ষণ ও আধুনিক সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে চরম বৈরী পরিবেশেও হেক্টরপ্রতি প্রায় ছয় টন চাল উৎপাদন করছে। আবার আয়তনে ছোট হয়েও নেদারল্যান্ডস বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃষি রফতানিকারক। নেদারল্যান্ডসে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থাপনা বজায় রাখা হয়, ফলে ফসল উৎপাদনে সেখানকার মাটি অত্যন্ত উর্বর। তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ‘নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ কৃষি’। বাংলাদেশের উন্মুক্ত মাঠে এটি প্রয়োগ ব্যয়বহুল হলেও পোলট্রি, ডেইরি বা উচ্চমূল্যের কৃষিপণ্য উৎপাদনে এ আধুনিক ধারণাটি কাজে লাগানোর কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।
ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজিকে কাজে লাগানোর সময় এখনই দেশের প্রথাগত ও ধীরগতির অভিযোজন থেকে বেরিয়ে এখন থেকেই প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি উৎপাদনের দিকে এগোতে হবে। প্রথাগত সংকরায়ণ পদ্ধতিতে জলবায়ু সহনশীল নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবন করতে যেখানে প্রায় এক দশক সময় লেগে যায়। অথচ ক্রিসপার-ক্যাস ৯-এর মতো আধুনিক জিনোম এডিটিং প্রযুক্তি উদ্ভিদের ডিএনএতে সুনির্দিষ্ট পরিবর্তনের মাধ্যমে অত্যন্ত কম কাঙ্ক্ষিত জাত তৈরি করতে পারছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এরই মধ্যে ‘ব্রি ধান-৪৭’ (লবণাক্ততা সহনশীল) এবং ‘ব্রি ধান-৫১’ (জলমগ্নতা সহনশীল) উদ্ভাবন করে সাফল্য দেখিয়েছে। ফ্রন্টিয়ার বায়োটেকনোলজির কল্যাণে এখন এমন জাত তৈরি সম্ভব হচ্ছে, যা কোনো উৎপাদন ক্ষতি ছাড়াই টানা চার সপ্তাহ পানির নিচে বেঁচে থাকবে কিংবা ১২ ডেসি-সিমেন্স/মিটারের মতো উচ্চমাত্রার মারাত্মক লবণাক্ততা অনায়াসে সহ্য করতে পারবে। মৌলিক গবেষণার গতিশীলতায় কৃষি আজ সভ্যতার সবচেয়ে অগ্রসরমান বিজ্ঞান। বাংলাদেশে প্রকৃত জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে আমাদের কৃষি গবেষণার পরিধি বাড়াতে এ অগ্রগামী প্রযুক্তিগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে প্রিসিশন এগ্রিকালচারে ন্যানোটেকনোলজি ও আইওটির যুগলবন্দি ফসলের পুষ্টি ও সুরক্ষায় এক বৈপ্লবিক দিগন্ত উন্মোচন করেছে। মাঠে বসানো আইওটি সেন্সরের পাশাপাশি অত্যন্ত সংবেদনশীল ‘ন্যানো-সেন্সর’ মাটির পুষ্টি ও আণুবীক্ষণিক আর্দ্রতার রিয়েল-টাইম তথ্য নিখুঁতভাবে সরবরাহ করছে, যা বরেন্দ্র অঞ্চলের মতো পানির সংকটপ্রবণ এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় রোধে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে। তাছাড়া প্রথাগত সারের অপচয় ও মাটির অম্লতা রুখতে উদ্ভিদের সুনির্দিষ্ট পুষ্টি জোগাতে ‘ন্যানো-ফার্টিলাইজার’ ও রোগবালাই থেকে তাৎক্ষণিক সুরক্ষায় ‘ন্যানো-পেস্টিসাইড’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি ঢালাওভাবে মাটিতে না মিশে সরাসরি উদ্ভিদের কোষে সুনির্দিষ্টভাবে পুষ্টি পৌঁছে দেয়। পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে ‘মাল্টিস্পেক্ট্রাল ইমেজিং’ ব্যবহার করে মাঠের ঠিক কোন অংশে পোকার আক্রমণ বা পুষ্টির অভাব রয়েছে তা চিহ্নিত করে শুধু আক্রান্ত অংশে ‘স্পট-স্প্রে’ করা সম্ভব হচ্ছে, যা ফসলের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ফসল উৎপাদন রক্ষার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে ব্লাস্ট রোগের মতো মারাত্মক সংক্রমণ মোকাবেলায় জিনোম-ভিত্তিক বায়োটেকনোলজিক্যাল স্মার্ট প্রযুক্তি এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিজিই হুইট ব্লাস্ট রোগ ঘটনাস্থলেই শনাক্তকরণের জন্য ‘র্যাপিড ডায়াগনস্টিক কিট’ উদ্ভাবন করেছে। এটি সফলভাবে প্রয়োগ করা গেলে খামারে ফসলের অকাল ক্ষয়ক্ষতি ও উৎপাদন পরবর্তী বিপুল অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। পচনশীল পণ্যের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান বাড়াতে আধুনিক ‘ন্যানো-কোটিং’ ও ন্যানো-প্যাকেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা গেলে তা পচনশীল খাদ্যের সেলফ-লাইফ বা স্থায়িত্ব বাড়িয়ে কৃষকের আর্থিক ক্ষতি রুখে দিতে পারবে। এর সঙ্গে ব্লকচেইন প্রযুক্তি যুক্ত করলে পণ্য পরিবহনের প্রতিটি ধাপের তথ্য একটি বিকেন্দ্রীকৃত ও অপরিবর্তনীয় ডিজিটাল খতিয়ানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড করে রাখা সম্ভব হবে।
নীতিনির্ধারক ও অংশীজনদের জন্য কৌশলগত সুপারিশ
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি জলবায়ু সহনশীল ও খাদ্য-সুরক্ষিত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বিচ্ছিন্ন পাইলট প্রকল্পের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত কৌশল নিতে হবে। এজন্য নির্ভরযোগ্য ও বাস্তবসম্মত তথ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত জরুরি। বর্তমানে দেশের কৃষি-সংক্রান্ত পরিসংখ্যানগুলো অনেকাংশেই অনির্ভরযোগ্য ও সেকেলে, যা সঠিক নীতিনির্ধারণ এবং ফলপ্রসূ গবেষণার ক্ষেত্রে মারাত্মক অন্তরায় সৃষ্টি করছে। এ সংকট উত্তরণে সরকারকে অবিলম্বে একটি ‘রিয়েল-টাইম’ বা সময়ানুগ ডিজিটাল কৃষি ডেটাবেজ তৈরি করতে হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মাটির গুণাগুণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, আবাদি জমির সঠিক পরিমাণ এবং আবহাওয়ার নিখুঁত তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এ শতভাগ নির্ভরযোগ্য ডেটার ওপর ভিত্তি করেই দেশীয় এগ্রিটেক স্টার্টআপগুলো কৃষকদের জন্য আধুনিক সমাধান তৈরি করতে পারবে এবং নীতিনির্ধারকরা নিতে পারবেন সঠিক সিদ্ধান্ত। পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকদের জন্য এসব প্রযুক্তি সহজলভ্য করতে কৃষি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে একটি ‘সবুজ কৃষি-প্রযুক্তি তহবিল’ গঠন করা প্রয়োজন, যার মাধ্যমে আইওটি সেন্সর বা স্মার্ট সেচ সরঞ্জাম কেনায় বিনা সুদে ঋণ ও আমদানিতে শুল্ক ছাড় দেয়া যায়।
তথ্য ও অর্থায়নের পাশাপাশি জোর দিতে হবে উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকীকরণ এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের কার্যকর সমন্বয়ের ওপর। দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো জিনোম বা ন্যানোটেকনোলজির মতো চমৎকার সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করলেও তা অনেক সময় ল্যাবরেটরির চার দেয়ালেই আটকে থাকে। এগুলোকে সাধারণ কৃষকের মাঠে পৌঁছে দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি কৃষিভিত্তিক শিল্পগুলোর মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকারের নতুন নীতিমালার আওতায় একটি আধুনিক ‘যৌথ অংশীদারত্ব মডেল’ গড়ে তোলা জরুরি। এ কাঠামোর অধীনে একটি সক্রিয় ‘টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস’ প্রতিষ্ঠা করলে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে দেশের বড় বড় এগ্রো-বিজনেস কোম্পানিগুলোর সরাসরি সংযোগ ঘটবে। অন্যদিকে খাদ্যের অভ্যন্তরীণ বাজার সংশোধন ও কৃষিপণ্য রফতানি বাড়াতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে ধাপে ধাপে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করতে হবে। প্রাথমিকভাবে রফতানিযোগ্য কিছু পণ্যে কিউআর কোডভিত্তিক ব্লকচেইন লেজার ব্যবহার করলে দেশী-বিদেশী ভোক্তাদের নিরাপদ ও রাসায়নিকমুক্ত খাদ্যের নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব। নির্ভরযোগ্য ডেটা, আধুনিক নীতিমালা ও সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তিগুলোকে মাঠপর্যায়ে নিয়ে যেতে পারলে বাংলাদেশ কেবল তার নিজের খাদ্যনিরাপত্তাই নিশ্চিত করবে না, বরং সমগ্র বিশ্বের কাছে ‘জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি’র এক অনন্য রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
অধ্যাপক ড. তোফাজ্জল ইসলাম: প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং; ডিন, গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদ, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়










