যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ অঙ্গরাজ্যের প্রসিকিউটররা কনজারভেটিভ কর্মী চার্লি কার্কের হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত টাইলার রবিনসনের (২২) বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড চাইবে বলে জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ, রবিনসন উটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে একটি ছাদ থেকে গুলি চালিয়ে কার্ককে হত্যা করেন। পরে তিনি তার রুমমেটকে পাঠানো বার্তায় অপরাধের দায় স্বীকার করেন। আদালতে দাখিল করা নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রবিনসন লিখেছিলেন—‘তার (চার্লি কার্ক) প্রতি আমার প্রচণ্ড ঘৃণা।’
উটাহ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি জেফরি গ্রে-এর অফিস মঙ্গলবার রবিনসনের বিরুদ্ধে সাতটি ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেছে। যার মধ্যে রয়েছে— গুরুতর হত্যা, প্রমাণ লোপাট করার মাধ্যমে ন্যায়বিচারকে বাধা দেয়া এবং তার রুমমেটকে আপত্তিকর বার্তা মুছে ফেলার জন্য অনুরোধ করে সাক্ষীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ কিছু রাজনীতিবিদ এই মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আহ্বান জানিয়েছেন। গ্রে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, উপলব্ধ প্রমাণ এবং অপরাধের প্রকৃতি ও পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে"তিনি স্বাধীনভাবে মৃত্যুদণ্ড চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকালে রবিনসনকে জেল থেকে ভিডিও ফিডের মাধ্যমে আদালতে হাজির করা হয়। অনেকটাই অভিব্যক্তিহীন ছিলেন রবিনসন। বিচারক টনি গ্রাফ জানান, রবিনসনের আইনজীবী নিয়োগের সামর্থ্য নেই, তাই পরবর্তী শুনানির আগে তার জন্য একজন সরকারি আইনজীবী নিয়োগ করা হবে।
এরইমধ্যে তাকে জামিন ছাড়াই ওয়াশিংটন কাউন্টি জেলে আটকে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেখানে তাকে একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণ প্রোটোকলের অধীনে রাখা হয়েছে।










