যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’ করার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজের একটি ফ্যাক্ট শিট অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শুক্রবার প্রেসিডেন্ট এ সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করবেন। খবর বিবিসি।
প্রাথমিকভাবে যুদ্ধ মন্ত্রণালয় নামটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে। তবে এ নাম পরিবর্তনকে স্থায়ী করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ও নির্বাহী কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটে হেগসেথকে নির্দেশনাও দেবেন ট্রাম্প। নির্বাহী আদেশ জারি হলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটে হেগসেথ তার বিকল্প পদবী হিসেবে ‘যুদ্ধমন্ত্রী’ আর উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী ‘যুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী’ ব্যবহার করতে পারবেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে সংক্ষেপে পেন্টাগন ডাকা হয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর তদারককারী মন্ত্রণালয়। ১৭৮৯ সালে মন্ত্রণালয় হওয়ার পর ১৯৪৯ পর্যন্ত এটি যুদ্ধ মন্ত্রণালয় নামেই পরিচিত ছিল। কিন্তু পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটির নাম বদলে যায়। ‘পারমাণবিক যুগে’ যুদ্ধ ঠেকানোই যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকারে থাকবে এই বিবেচনায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর দেখভালের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রণালয়ের নাম ‘প্রতিরক্ষা’ করেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা।
ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এখন বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র কেবল প্রতিরক্ষা নয়, দেশের স্বার্থে প্রয়োজনে আক্রমণে যেতেও দ্বিধা করবে না। এ কারণে আগের যুদ্ধ মন্ত্রণালয় নামটিই যথাযথ। এটি একইসঙ্গে মন্ত্রণালয়ে কাজ করা কর্মকর্তাদের মানসিকতাতেও বদল আনবে।
মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষ, সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম স্থায়ীভাবে বদলে ট্রাম্পকে তেমন বেগ পেতে হবে না। তবে এ পুরো কর্মযজ্ঞে কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাম বদলের সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্যাড, লোগো থেকে শুরু করে ইমেইল ঠিকানা, ইউনিফর্মসহ আরো অনেক কিছুই বদলাতে হবে। যদিও ব্যয়ের ব্যাপারে এখনো কিছু জানায়নি হোয়াইট হাউস।










