এ বছর ফ্যাশন ইভেন্টটিতে ভারতীয় তারকারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা ‘ফ্যাশন ইজ আর্ট’ থিমকে ধারণ করেছেন, পাশাপাশি নিউ ইয়র্ক সিটির মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ছোঁয়াও এনেছেন। করণ জোহর থেকে অনন্যা বীরলা, মেট গালা ২০২৬-এ তারা ভারতীয় ঐতিহ্য ও শিল্পকে তুলে ধরেছেন।
করণ জোহর
এ বছর করণ জোহর ডিজাইনার মণীশ মালহোত্রার নকশা করা পোশাকে উপস্থিত হয়েছে। এটি মেট গালায় করণের অভিষেক। তার লুকে ছিল হাতে আঁকা মোটিফ, ঐতিহ্যবাহী জরদৌজি কাজ এবং স্তম্ভ, পদ্ম ও রাজহাঁস। এটি কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী রাজা রবি বর্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে নকশা করা হয়েছে।
অনন্যা বীরলা
উদ্যোক্তা অনন্যা বীরলার রেড কার্পেটে প্রবেশ নজর কাড়ে তার এক্সপেরিমেন্টাল লুকের জন্য। তিনি রবার্ট উনের ডিজাইন করা বিশেষ নকশা করা কালো পোশাকে হাজির হন। তার জন্য এটি স্টাইল করেছিলেন রিয়া কাপুর। তার পোশাকের মূল আকর্ষণ ছিল শিল্পী সুবোধ গুপ্তার তৈরি একটি মেটালিক মাস্ক।
গৌরবি কুমারী ও সাওয়াই পদ্মনাভ সিং
জয়পুরের রাজপরিবারও এ বছর রেড কার্পেটে স্মরণীয় উপস্থিতি জানান দেয়। গৌরবি কুমারী তার দাদি গায়ত্রী দেবীর ভিনটেজ শিফন শাড়ি বেছে নেন। সেটিকে তিনি একটি ফ্লুইড গাউনে রূপান্তর করেছেন। অন্যদিকে সাওয়াই পদ্মনাভ সিং ঐতিহ্যবাহী পোশাকের ওপর ভেলভেট কোট পরেছিলেন।
সুধা রেড্ডি

মণীশ মালহোত্রার তৈরি একটি পোশাক পরে উপস্থিত হন সুধা। এতে ছিল স্কাল্পটেড করসেট, বিশাল ট্রেন ও ‘ট্রি অব লাইফ’ মোটিফে সজ্জিত একটি কেপ (পোশাকের ওপর পরার স্লিভলেস উড়নি), যা কালামকারি শিল্প থেকে অনুপ্রাণিত। তার লুক সম্পূর্ণ করতে তিনি বিরল টানজানাইট সজ্জিত স্টেটমেন্ট জুয়েলারি পরেছিলেন।
মণীশ মালহোত্রা
খ্যাতনামা ডিজাইনার শুধু তারকাদের পোশাকই তৈরি করেননি, নিজেও জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। তার লুক মুম্বাই এবং তার যাত্রাপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা কারিগরদের থেকে অনুপ্রাণিত। তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানান, তার ক্ল্যাসিক ব্ল্যাক বন্ধগলা ও কেপ তৈরি করতে ৯৬০ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে।
ঈশা আম্বানি
ভারতীয় ব্যবসায়ী ঈশা আম্বানি গৌরব গুপ্তার ডিজাইন করা পোশাকে রেড কার্পেটে আসেন। তার সম্পূর্ণ সোনালি পোশাক আধুনিক নকশাদার পোশাকের ধারাকে উপস্থাপন করে। এতে রাজকীয় আভিজাত্যের মিশ্রণ ছিল। তার শাড়িটি খাঁটি স্বর্ণের সুতো দিয়ে বোনা বলে জানা যায় এবং এতে ২০০-রও বেশি হীরা ব্যবহার করা হয়েছে। ভোগের মতে, এটি ৫০ জনেরও বেশি কারিগর হাতে তৈরি করেছেন এবং সম্পন্ন করতে ১ হাজার ২০০ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে।
সূত্র: ইয়ন










