সে কারণে হলিউডের সিনেমার চরিত্রচিত্রণে বৈচিত্র্য থাকছে না। সুপারহিরো গল্পের আধিপত্যের কারণে ইন্ডাস্ট্রিতে সূক্ষ্ম চরিত্রচিত্রণ কমে গেছে। অথবা বলা যায়, এখন স্বপ্নদ্রষ্টার তুলনায় বিক্রেতা বেড়ে গেছে।

সম্প্রতি হিটস রেডিও ব্রেকফাস্ট শোতে অ্যান হ্যাথাওয়ে ও এমিলি ব্লান্টের সঙ্গে ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা টু’র প্রচারণার সময় কথা বলতে গিয়ে স্ট্রিপ এসব বিষয়ে আলাপ তোলেন। তার মতে, বর্তমান সিনেমাগুলোয় নায়ক-খলনায়কের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন সিনেমাগুলোকে মার্ভেলের মতো করে ফেলছি। সেখানে ভিলেন আছে আর ভালো মানুষ আছে। এটা খুবই একঘেয়ে।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘কিছু নায়ক ত্রুটিপূর্ণ, আর কিছু খলনায়কও মানবিক ও আকর্ষণীয়। তাদের নিজস্ব শক্তি আছে। তাই আমি সিনেমায় বিষয়টা পছন্দ করি। ভালো-মন্দের একটা মিশ্রণ থাকবে। কোনো কিছুই সাদাকালো না।’

১ মে মুক্তি পেয়েছে দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা টু। সিনেমায় স্ট্রিপ আবারো মিরান্ডা প্রিসলি চরিত্রে ফিরেছেন। তিনি সম্প্রতি ২০০৬ সালের মূল সিনেমার পারিশ্রমিক নিয়ে নতুন করে আলোচনার কথাও জানান। প্রথমে তিনি প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, পরে শর্ত পরিবর্তনের পর আবার রাজি হন।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, সিনেমাটা আমি করব না। পরে তারা আমার চাওয়া অনুযায়ী পারিশ্রমিক দ্বিগুণ করতে রাজি হয়। তখন বুঝলাম, আমি এটা দাবি করতে পারি। আমাকে তাদের প্রয়োজন ছিল।’

আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসঙ্গও উঠে আসে এবং সিনেমার মিরান্ডা এ প্রযুক্তি ব্যবহার করতেন কিনা তা নিয়েও কথা হয়। স্ট্রিপ বলেন, ‘তার চরিত্রের এটির প্রয়োজন নেই, কারণ তার সহকারীরাই এসব কাজ করে দেন। এরপর অ্যানা হ্যাথাওয়ে একটি সাম্প্রতিক নিয়োগ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি লক্ষ করেন, প্রার্থীরা প্রায় একই ধরনের ধন্যবাদসূচক বার্তা পাঠিয়েছেন। তার ধারণা, এ বার্তাগুলো একই এআই অ্যাপ দিয়ে লেখা।

সূত্র: ভ্যারাইটি