হলিউডের তরুণ প্রজন্মের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী সিডনি সুইনি। বয়স মাত্র ২৭, অথচ এরই মধ্যে নিজের অভিনয় গুণ, গ্ল্যামার আর সাহসী উপস্থিতিতে জায়গা করে নিয়েছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কখনো পর্দার নগ্ন দৃশ্য, কখনো আবার বিজ্ঞাপন বা মন্তব্য, বিভিন্ন কারণে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। তবু বিতর্ক এড়িয়ে না গিয়ে নিজের মতো করেই এগিয়ে চলছেন সিডনি। সম্প্রতি নতুন সিনেমা ক্রিস্টির প্রচারে এক সাক্ষাৎকারে তিনি কথা বলেছেন নিজের জীবন, ক্যারিয়ার আর সমালোচনা নিয়ে।
সিডনি প্রথম আলোচনায় আসেন ধারাবাহিক ‘ইউফোরিয়া’র মাধ্যমে। এ সিরিজ তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর ‘দ্য হোয়াইট লোটাস ’তাকে আরো জনপ্রিয় করে তোলে। শুরুতে অনেকে মনে করতেন, শুধু গ্ল্যামারধর্মী চরিত্রেই তিনি ভালো করবেন। কিন্তু ‘রিয়েলিটি’ সিনেমায় একেবারেই গ্ল্যামারহীন চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সিডনি বলেন, ‘প্রতিদিন কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করি, এভাবেই আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।’
পর্দায় সাহসী দৃশ্য নিয়ে নানা সমালোচনার মুখে পড়লেও সিডনি এতে বিচলিত নন। তার ভাষায়, ‘আমি একজন শিল্পী। চরিত্রের প্রয়োজনে যা দরকার, তাই করি।’ তাই বিতর্ক যতই হোক, তিনি চরিত্রের প্রয়োজনে এমন দৃশ্যে কাজ বন্ধ করবেন না।
সম্প্রতি একটি পোশাক ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনেও তিনি বিতর্কে জড়ান। সেখানে শব্দের খেলায় অনেকে বর্ণবিদ্বেষের ইঙ্গিত খুঁজে পান। এ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে অনেকেই মনে করেন, বিষয়টি অযথাই বড় করা হয়েছে।
এবার আবারো আলোচনায় এসেছেন নতুন সিনেমা ‘ক্রিস্টি’তে। সেখানে তিনি অভিনয় করেছেন বাস্তব জীবনের নারী বক্সার ক্রিস্টি মার্টিন চরিত্রে। চরিত্রটির জন্য ৩০ পাউন্ড ওজন বাড়াতে হয়েছে তাকে। শারীরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি চরিত্রের মানসিক দিকও ফুটিয়ে তুলতে করেছেন কঠোর পরিশ্রম।
ব্যক্তিগত জীবনের নানা গুজব নিয়েও তাকে ঘিরে আগ্রহের শেষ নেই। কেউ বলেন, তিনি নাকি নতুন বন্ড গার্ল, কেউ–বা তার চেহারায় অস্ত্রোপচারের প্রভাব খোঁজেন। এসব নিয়ে সিডনি বলেন, ‘আমি ইনজেকশন, ট্যাটু—কিছুই করিনি। আমি যেমন, ঠিক তেমনই থাকতে চাই।’
নিজের কাজ আর পরিশ্রমেই বিশ্বাসী সিডনি সুইনি। তিনি মনে করেন, সফলতার একমাত্র পথ অধ্যবসায় আর আত্মবিশ্বাস। তাই বিতর্ক নয়, তিনি চান মানুষ তার কাজ নিয়েই কথা বলুক।
সূত্র: ভ্যারাইটি










