সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমের সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে আনা হয়েছে।

রিমান্ড আবেদনের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম।

আজ বেলা ২টা ২২ মিনিটে পুলিশের একটি গাড়িতে করে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।

জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা সরকার।

গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। এ ঘটনায় গতকাল গভীর রাতে মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় গাজী নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। অপর আসামি হলেন মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমান।

গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত জুলাইয়ে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে দেখা যায়। পরে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন। এ ঘটনায় ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। বহিষ্কার আদেশে দলীয় তদন্তে তার ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণ মিলেছে বলে উল্লেখ করা হয়। জামায়াত এ সংসদ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকেও অবহিত করে।