হাইকোর্টের মূল ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, হাইকোর্টের সামনে দুজন হয়তো আওয়ামী লীগের দুষ্কৃতকারী হতে পারে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে আমরা অলরেডি আইডেন্টিফাই করেছি। এখন সেটা তদন্ত করছি।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঢাকা শহরের মেগা প্রজেক্টের কারণে উদ্ভূত যানজট রোধসংক্রান্ত সভা শেষে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ মাঝেমধ্যে তাদের কিছু কিছু অপতৎপরতা চালায়। তার অংশ হিসেবে ফজরের নামাজের পরে মাঝে মধ্যে দুই-একটা মিছিল করে ভিডিও করে, সেটা আমরা দেখেছি। অল্প সংখ্যক লোক নিয়ে। তবে গুলশানে যেটা হয়েছে, দিনের বেলা ১১টার সময় জুমার নামাজ আদায়ের নাম দিয়ে ওখানে কিছু লোকদের হয়তো এটা করেছে। আমরা পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি, সেটা আপনারা জানেন।
তিনি আরো বলেন, তবে হয়তো বা আমাদের গোয়েন্দা তথ্য ছিল, কিন্তু আমাদের পুলিশ বাহিনী শুক্রবারে হয়তো আন্দাজ করতে সক্ষম হয়নি যে, ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এটা করতে পাররে। সেটাকে ব্যর্থতা বলার কোনো সুযোগ নাই। আমরা পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
মন্ত্রী বলেন, এ ফ্যাসিবাদী দোসরদের বিরুদ্ধে আদালত রায় ঘোষণা করেছেন, তার প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে হয়তো একটা ককটেল ছুঁড়েছে। সেটা আমরা ফাইন্ডআউট করব। এটা এত বেশি বড় কোন বিষয় না।
এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এই রায়ের পর মোটরসাইকেলে করে দুজন ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টের মূল ফটকের সামনে সড়কে ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যান।










