আগামী ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ কিংবা মার্চের শুরুতে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণী প্রতিনিধিরা (ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ)। একই সঙ্গে পরীক্ষা নেয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
গতকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের শ্রেণী প্রতিনিধিদের সঙ্গে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শ্রেণী প্রতিনিধিরা কভিড-১৯ অতিমারীর সময় শিক্ষার্থীদের করণীয় বিষয়ে উন্মুক্তভাবে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর অধিকাংশ শিক্ষক নবীন। তারা তাদের পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। করোনা অতিমারী শেষ হওয়ার পর অনেক শিক্ষার্থীর হয়তো ঝরে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হবে। কিন্তু তারা যেন ঝরে না পড়ে, এজন্য আমাদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের সব সুবিধা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতিতে সব পরীক্ষা নেয়া হবে। কাউকে বাদ দিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেনার জন্য আবেদনকৃত প্রায় ৫৭০ জন শিক্ষার্থীকেই ঋণ প্রদানের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ তহবিলে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড তাদের সিএসআর তহবিল থেকে ১ কোটি টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে শিক্ষার্থীদের জানান তিনি।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘হল না খুলে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই বাস্তবায়ন করা যাবে না। কারণ চতুর্থ বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের সব বই, নোট, শিট সবকিছু হলে রয়েছে। আর পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রুপভিত্তিক করতে হয়। সেটা একমাত্র হলেই করা হতো। এজন্য পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে, হল খুলে দিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য দেন যবিপ্রবির ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. নাসিম রেজা, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. সৈয়দ মো. গালিব, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিন প্রমুখ।










