বেসামরিক বিমান
পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান বলেছেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন
শিল্পের উন্নয়নে একত্রে কাজ করতে চায় যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার (৭ মে) সচিবালয়ে নিজ দফতরে
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইন্দো-প্যাসিফিক
অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যানি ম্যারি ট্রেভেলেইনের সঙ্গে বৈঠকের পর
গণমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন,
এই মুহূর্তে প্রধানত কথা হয়েছে আমাদের এভিয়েশন সিকিউরিটি নিয়ে প্রশিক্ষণের বিষয়ে।
এই প্রশিক্ষণের সঙ্গে বিনিয়োগও হতে পারে, যুক্ত হতে পারে আধুনিক যন্ত্রপাতি। তবে ভবিষ্যতে
এভিয়েশন খাতে কীভাবে বিনিয়োগ করবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সিকিউরিটি, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং
নিয়েও কথা হয়েছে। এসব খাতে তাদের বিনিয়োগের সম্ভাবনা আছে। তারা জানে, ঢাকা ছাড়াও সিলেট
ও কক্সবাজারে আমাদের দুটো বিমানবন্দরে উন্নয়ন কাজ চলমান আছে। তারা আরো জানতে পেরেছেন,
সৈয়দপুরে একটা বিমান হাব তৈরির চেষ্টা করছি। এসব কারণে তারা বেসামরিক বিমান খাত নিয়ে
অনেক আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এ সময় সাংবাদিকদের
কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যানি
ম্যারি ট্রেভেলেইন বলেন, যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশের সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা
চালিয়ে যাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। সিভিল এভিয়েশন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের
নিরাপত্তা বিষয়ক অংশীদারত্ব রয়েছে। আমরা এভিয়েশন খাতে দুই দেশের সম্পর্ক কিভাবে
আরো এগিয়ে নিয়ে যায় তা আলোচনা করেছি।
বাংলাদেশের
সার্বিক উন্নতিতে আনন্দ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের
অর্থনীতির আকার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। সেক্ষেত্রে
এভিয়েশন শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ
তার বিমানবন্দর গুলোর উন্নয়ন করছে। নতুন টার্মিনাল নির্মিত হয়েছে। এ কারণে আমরা বাংলাদেশের
সাথে এভিয়েশন শিল্পের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দক্ষতা শেয়ার করতে চাই।










