রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসীর গুলিতে আহত উপজেলার ৪ নম্বর বড়থলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতুমং মারমা (৫০) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরোউত্তম তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, গত ২১ মে দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ছিল। সেদিন আতোমং মারমা নির্বাচন শেষ করে তার গ্রাম বড়থলিতে এসেছিল এবং সেদিন রাতেই তাকে দৃর্বুত্তরা গুলি করেছিল। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন বৃহস্পতিবার রাতে আনুমানিক সাড়ে এগারোটার দিকে তিনি মারা গেছেন।

প্রসঙ্গত, ২১ মে (মঙ্গলবার) ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোট ছিল। ভোটের দিন রাতে ইউপি চেয়ারম্যান আতোমং মারমা তার নিজ গ্রাম বড়থলিতে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায়। গুলির ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান হাতে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। 

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বান্দরবান জেলার রুমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। সেখান থেকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পাঠানো হয়। চট্টগ্রামে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীর থেকে গুলি অপসারণ করে চিকিৎসকরা। এরপর থেকে লাইভ সাপোর্টে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আইসিইউতে ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আতোমং মারমা।

এর আগে, ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণের একদিন পর ২০ মার্চ বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুরেশ কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।