পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘৪৪ বছর আগে শেখ হাসিনা যে অন্ধকারে নিমজ্জিত বাংলাদেশে ফিরেছিলেন সেই দেশ আজ শত ফুলের প্রস্ফুটিত আলোয় উদ্ভাসিত। ১৯ বার নিশ্চিত মৃত্যুকে জয় করে এখন তিনি অকুতোভয় একজন বিশ্ব রাষ্ট্রনায়ক। তিনি শুধু বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের প্রতীক নন, তিনি বিশ্বের সব নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের মুক্তির প্রতীক হিসেবে আলো ছড়াচ্ছেন।’
গতকাল নগরীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়া হয়েছিল। বাঙালি নিজ ভূমিতে পরবাসী হয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে আওয়ামী লীগের সব স্তরের নেতাকর্মীরা ১৯৮১ সালে কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে সভাপতির আসনে নির্বাচিত করেন। গত ৪৪ বছরে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে টেনে চলেছেন। গরিব ও ঋণগ্রস্ত দেশকে তিনি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করেছেন। ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন বুনন করে চলেছেন। বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে।’
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনাদের মনে আছে, বিএনপি গত বছর ২৮ অক্টোবর জো বাইডেনের ভুয়া উপদেষ্টাকে হাজির করেছিল। সে বিএনপি কার্যালয়ে শুধু ইংরেজি বলছিল, পুলিশ যখন ধরে নিয়ে গেল তখন দেখি গড়গড়িয়ে বাংলা বলে। তার আগে বিএনপি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যানদের সই জাল করেছিল। শুধু তা-ই নয়, তারা সে সময় বলেছিল ভারতের অমিত শাহ ফোন করেছিল। কিন্তু অমিত শাহর অফিস থেকে বলা হলো, তিনি কাউকে ফোন করেননি, যে আওয়াজ প্রচার করা হয়েছিল সেটা অমিত শাহর নয়। এসব জালিয়াতিই তাদের কাজ।’
এ সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।










