সৌরবিদ্যুতের ৭ হাজার ৮৬১ মেগাওয়াট প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে
জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, জ্বালানির
প্রসারে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে
১২ হাজার ৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন চলমান ও প্রক্রিয়াধীন। ৩ হাজার ২৫৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
প্রকল্প চলমান রয়েছে।
রোববার (৫ মে) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডা
বার্জ ভন লিন্ডে সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব কথা বলেন নসরুল হামিদ। এ সময় তারা পারস্পরিক
স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
গ্রিন ট্রানজিশন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সুইডেনের অবস্থান নিয়ে আলোচনাকালে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রায় ৪০ বছর ধরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে সুইডেন ও দেশটির কোম্পানিগুলো
কাজ করছে। এর মাঝে এইচ অ্যান্ড এম, আইকেইএ ও লিনডেস্ক অন্যতম। বাংলাদেশ ও সুইডেন যৌথভাবে
তৈরি পোশাক খাতে গ্রিন ট্রানজিশনের জন্য অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে। এ সময়
কীভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আরো অবদান রাখা যায় সে বিষয়েও আলোচনা হয়।
বায়ু বিদ্যুতের কথা তুলে ধরে নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশে বায়ু বিদ্যুৎ
নিয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন, যদিও এরই মধ্যে উইন্ড ম্যাপিং সম্পন্ন হয়েছে। ২০৪১ সালের
মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪০ শতাংশ হবে পরিষ্কার বিদ্যুৎ। আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ
সহনীয় মূল্যে সবার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা। নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য
বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন। স্মার্ট গ্রিড এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আরো আধুনিক করা
দরকার। সরকার চেষ্টা করছে, জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়াতে।
সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে সুইডেন দূতাবাসের পলিটিক্যাল,
ড্রেড অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান লভিসা হোফম্যান উপস্থিত ছিলেন।










