মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। অভিযানে আরসার আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, গ্রেনেডসহ নানা অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আস্তানায় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আরসা সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। এতে র্যাবের সঙ্গে আরসা সদস্যদের গুলি বিনিময় হয়।
এ সময় আরসার বাংলাদেশ কমান্ডার মো. শাহানুর ওরফে মাস্টার সলিম ও তার এক সহযোগী মো. রিয়াজকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল ভোরে কক্সবাজারের উখিয়ার দুর্গম লাল পাহাড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, কয়েক ঘণ্টার অভিযানে আরসার আস্তানা থেকে পাঁচটি গ্রেনেড, তিনটি রাইফেল গ্রেনেড, ১০টি দেশে তৈরি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১৩টি ককটেল, একটি বিদেশী রিভলবার, একটি এলজিসহ বিপুল গোলাবারুদ, কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পক্ষে কাজ করায় ২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করে আরসা সন্ত্রাসীরা। ২০২২ সালে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান চালাতে গিয়ে আরসা সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুন হন গোয়েন্দা সংস্থার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
র্যাবের তথ্যমতে, আশ্রয়শিবিরে আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন ঘটনায় ২০২৩ সালে ৬৪ জন এবং ২০২৪ সালের ১৪ মে পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ মাসে ১৬ জন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে খুন হয়েছে।
ঘটনাস্থল লাল পাহাড়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১৫ কক্সবাজার কার্যালয়ের অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আরসার ওই দুই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় হত্যা, ডাকাতি, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।’










