দেশের দুই জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। গতকাল দিনের বিভিন্ন সময় এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে—

যশোর: যশোর-নড়াইল মহাসড়কের তারাগঞ্জ বাজার নামক স্থানে সেন্ট মার্টিন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে ফায়ার সার্ভিস। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন বাসের যাত্রী সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার নীলকণ্ঠপুর গ্রামের আছান আলীর ছেলে হাশেম আলী (৪০) ও বাসের সুপারভাইজার ঢাকার জুরাইন শ্যামপুরের নাসিরুদ্দিনের ছেলে তৌফিকুর রহমান (২৪)। হতাহতরা চট্টগ্রামের রাউজানের একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। সেখান থেকে বাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।

এদিকে এ ঘটনার পরপরই যশোর-নড়াইল সড়কের হামিদপুর বিজিবি ক্যাম্পের সামনে ট্রাকচাপায় প্রফুল্ল কুমার সাহা নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রাস্তা পারাপারের সময় কাভার্ড ভ্যানচাপায় তিনি নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছেন যশোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো একজন। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাখালী এলাকার ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত গোলাম মোস্তফা (৩৫) সাতক্ষীরা জেলার সদরের লক্ষীদাড়ি এলাকার মৃত মোহর আলী মিস্ত্রীর ছেলে। সে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গাড়ির হেলপার হিসেবে কাজ করত।

স্বজনদের বরাত দিয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার এসআই আরিফ বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সটি ‌আজ (গতকাল) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সের চালকও কিছুটা আহত হয়েছেন।’