সড়কে যান চলাচলের সর্বোচ্চ গতিসীমা বেঁধে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এক্সপ্রেসওয়ে ও জাতীয় মহাসড়কে (‘এ’ ক্যাটাগরি) পণ্যবাহী যান চলাচলের সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে এক্সপ্রেসওয়েতে সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ৬০ কিলোমিটার। আর জাতীয় মহাসড়কে (‘এ’ ক্যাটাগরি) চলতে পারবে সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিতে।
বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সড়ক/মহাসড়কে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার নিমিত্তে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ “মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪” সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জারি করা হলো। এ নির্দেশিকা অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এক্সপ্রেসওয়ে ও জাতীয় মহাসড়কে (‘এ’ ক্যাটাগরি) প্রাইভেট কার, মাইক্রো ইত্যাদি হালকা যাত্রীবাহী মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। এ দুই ধরনের সড়কে বাস-মিনিবাসসহ যাত্রীবাহী ভারী যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিসীমাও হবে ৮০ কিলোমিটার। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে এক্সপ্রেসওয়েতে সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ৬০ কিলোমিটার। আর জাতীয় মহাসড়কে (‘এ’ ক্যাটাগরি) চলতে পারবে সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিতে। এক্সপ্রেসওয়ে ও জাতীয় মহাসড়কে (‘এ’ ক্যাটাগরি) ট্রেইলরযুক্ত আর্টিকুলেটেড মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ৫০ কিলোমিটার।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এক্সপ্রেসওয়ে ও জাতীয় মহাসড়কে (‘এ’ ক্যাটাগরি) তিন চাকার কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, জেলা সদর, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার অভ্যন্তরীণ সড়কে প্রাইভেট কার, মাইক্রো ইত্যাদি হালকা যাত্রীবাহী মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। বাস-মিনিবাসসহ যাত্রীবাহী ভারী যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিসীমাও হবে ৪০ কিলোমিটার। পণ্যবাহী যান ও মোটরসাইকেল চলতে পারবে সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটার গতিতে।










