যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের জানালা ভেঙে পালিয়েছে আট শিশু বন্দি। গত রোববার রাত সোয়া ২টার দিকে বাথরুমের জানালা ভেঙে ওই শিশুরা পালিয়ে যায়। এ শিশুরা কেন্দ্রের ডরমিটরিতে হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিল।

পলাতকরা হলো যশোরের হূদয়, ফারদিন, আব্দুল কাদের, খুলনার রোহান গাজী, সোহাগ শেখ, নড়াইলের মুন্না গাজী, গোপালগঞ্জের শাহ আলম, বরিশালের মাইনুর রহমান শাকিব।

এ বিষয়ে জানতে সমাজসেবা অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালক অসিত কুমার সাহা ও শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক জাকির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বন্দি শিশুদের পলায়ন প্রসঙ্গে যশোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ডরমিটরির আট শিশু বন্দিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। ওই ভবনের বাথরুমের জানালার গ্রিল ছিল পুরনো জরাজীর্ণ। রোববার রাত ২টার পর শিশুরা জানালা ভেঙে বাইরে রাখা বৈদ্যুতিক লাইন ঠিক করার মই বেয়ে পালিয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ শিশুদের ওই ভবনে রাখলেও জানালার অবস্থা যাচাই করেনি। এর আগেও এ কেন্দ্র থেকে বেশ কয়েকবার বন্দি পালিয়ে গেছে। কিছুদিন আগে সুয়ারেজ লাইনের পাইপ বেয়ে তিন শিশু পালিয়ে গিয়েছিল। তার আগে আরো কয়েকজন গাছ বেয়ে ও প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়। পুলিশ পরে তাদের আবার গ্রেফতার করেছে। রোববার রাতে পালিয়ে যাওয়া আট শিশুর মধ্যে যশোরের তিনজন রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে। বাকি জেলায় বার্তা পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রটি সাধারণ কারাগারের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল।