রিচার্জের মেয়াদের বিষয়ে অন্যান্য দেশে যে চর্চা প্রচলিত রয়েছে আমাদের এখানেও একই চর্চা প্রচলিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খলিল-উর-রহমান।

টেলিযোগাযোগ সেবা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিটিআরসি বুধবার (৮ মে) গণশুনানির আয়োজন করে।

সেলফোন অপারেটরদের রিচার্জের মেয়াদ বিষয়ক এক প্রশ্নের উত্তরে খলিলুর-উর-রহমান বলেন, আমাদের অনেক গ্রাহকেরই চাহিদা আছে রিচার্জের মেয়াদের সময়সীমা তুলে দিয়ে আনলিমিটেড করতে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যে চর্চা চলে আসছে আমাদের এখানেও একই রয়েছে।

তিনি বলেন, কেউ যদি একটা প্যাকেজ তিন দিনের জন্য তিন জিবি করে নেন এবং একই প্যাকেজ এক মাসের জন্য নেন অপারেটরদের ক্ষেত্রে খরচের একটা বিষয় আছে। সেই ডাটাকে এক মাসের জন্য তাকে লাইভ রাখতে হয় এবং তার অ্যাকাউন্টগুলোকে তাকে সচল রাখতে হয়। তার মানে তিন দিন থাকলে অপারেটরকে তার খরচগুলো তিন দিনের জন্য করতে হয়, যখনই এটা এক মাস চলে তখনই তাকে এই কার্যক্রমগুলো একমাস রাখতে হয়। এখানেই  খরচের একটি বিষয় রয়েছে। এক বছরের জন্য হলে তাকে ওই খরচ এক বছর ধরে চলমান রাখতে হয়। সেখানে অপারেটরদের ব্যয়ের বিষয় আছে। সেজন্য মেয়াদ উত্তীর্ণ করা সবগুলোর ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। 

তিনি আরো বলেন, সর্বশেষ ডাটা প্যাকেজ নির্দেশকায় এ সেবা দেয়ার জন্য আনলিমিটেড প্যাকেজকে উৎসাহিত করেছি। আনলিমিটেড প্যাকেজও এখন দেয়া হচ্ছে। 

এ সময় অপারেটরদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, আপনারা যদি  আরেকটু কম ভলিয়্যুম আনলিমিটেড করে দেন সেটা আমাদের গ্রাহকদের জন্য সুবিধার হবে। 

টেলিযোগাযোগ সেবা সম্পর্কিত বিটিআরসির গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আরো উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ ছাড়াও মহাপরিচালক ও কমিশনাররা।